
জেন–জি ভাবনা: জাতীয় নির্বাচনে তরুণ ভোটার ও প্রার্থীদের প্রভাব
জাতীয় যুবনীতি ২০০৭ অনুসারে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ‘যুব’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসেবে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৪২ শতাংশের বেশি ছিল তরুণ।

জাতীয় যুবনীতি ২০০৭ অনুসারে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ‘যুব’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসেবে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৪২ শতাংশের বেশি ছিল তরুণ।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবং সরকারি গেজেটে ফলাফল প্রকাশের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন উঠেছে

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসন বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে বরাবরই একটি কৌতূহলের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আসনকে অনেকেই রাজনৈতিক ‘ব্যারোমিটার’ বলেন।

মানবাধিকার, সেন্সরশিপবিরোধী অবস্থান এবং সংকটাপন্ন লেখকদের পক্ষে সোচ্চার থাকার ঐতিহ্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর উপযুক্ত ব্যক্তি হলেন স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার।

সপ্তাহ দু-এক আগে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে দেখা হলো। উপজেলা পর্যায়ের একজন ত্যাগী নেতা।

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এবার প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা তাঁদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।

দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৮১টি সংস্থার ৫৫ হাজার ১৫৪ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে একটি নামমাত্র সংস্থাই ১০ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছিল, যা পরে স্থগিত করা হয়। এ ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং পুরো নির্বাচন পর্যবেক্ষণব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।

প্রত্নতত্ত্বের ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও লেখকদের কাছে বইটি বিশেষভাবে সমাদৃত হবে এবং যুগ যুগ ধরে বাঙালি সাধারণ পাঠকদেরকেও মাতিয়ে রাখবে, এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে চলছে একটি উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে ছোট ছোট চায়ের দোকানে ঢুকলে নির্বাচনের আমেজ যে এখন সাধারণ মানুষের চিন্তাজগতের পুরোটা জুড়ে আছে, সেটা বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়।

পরিবার, সমাজ ও পৃথিবী বদলে যাচ্ছে। এসব বিবেচনা করেই বই লিখতে হবে। এ ক্ষেত্রে লেখক, আঁকিয়ে, প্রকাশকসহ সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।