ইরান যুদ্ধে কে জিতল, কে হারল
ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।
ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।
ইরাক যুদ্ধের দুই দশক পর মধ্যপ্রাচ্যে আকাশশক্তির সবচেয়ে বড় সমাবেশ ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনরা হতাশ এবং নেতিবাচক। চারজনের মধ্যে তিনজনের বেশি স্থল সেনা পাঠানোর বিরোধী। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ রাখার পর সব ফ্লাইটের জন্য নিজেদের আকাশসীমা খুলে দিয়েছে ইরান।
ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর পুনর্গঠনে ইরানি সম্পদ ব্যবহারের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হামলা-পাল্টাহামলায় নাজুক যুদ্ধবিরতি আরও নাজুক হয়ে পড়ছে।
বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ ও নৌপথ উন্মুক্ত করতে ইরানকে আজ শনিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র; এদিকে যুদ্ধবিরতি শেষ করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গত মার্চে সৌদি আরব ও ইরাকে সিআইএ-র স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা বা তথ্য সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মনীতি নিয়ে কমই ভাবেন—এমন বাস্তবতা ইরানও বুঝে নিয়েছে। ফলে ইরানের অবস্থান ও সমঝোতা স্মারকের ব্যাখ্যা ঘিরেই এখন ট্রাম্পের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও টানাপোড়েনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
রুবিওর বৃহস্পতিবার বাহরাইনে অনুষ্ঠিত গালফ কো–অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে
পরবর্তী দফার আলোচনা ‘খুব সম্ভবত’ পাকিস্তানের রাজধানীতেই হবে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে পূর্ণ প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হাতে রেখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে কৌশলগত সুবিধা ধরে রেখেছে। বিশ্ব তেল বাজারে উদ্বেগ কমলেও অনিশ্চয়তা অব্যাহত। ইরান এখন জাহাজ থেকে মাশুল আদায়ের পরিকল্পনা করছে।