ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের একটি চূড়ান্ত সমাধান বের করার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এ প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের স্বার্থ রক্ষা করা হবে বলে গতকাল বুধবার তাদের আশ্বস্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
উপসাগরীয় দেশগুলোকে আশ্বস্ত করতে বর্তমানে ওই অঞ্চল সফর করছেন রুবিও। সংঘাত চলাকালে এসব দেশ তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার নিশানায় পরিণত হয়েছিল।
.এ ছাড়া ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস পরিবহন কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
কুয়েত সিটিতে রুবিও বলেন, সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে একই অবস্থানে থাকবে।
রুবিও বলেন, ‘আমরা উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একজোট থাকব। এই আলোচনার বিষয়ে নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা তাদের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা করব।’
.গতকাল বুধবার কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর রুবিওর আজ বৃহস্পতিবার বাহরাইনে অনুষ্ঠিত গালফ কো–অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) এক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক যে চুক্তি (সমঝোতা স্মারক) হয়েছে, সেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়গুলো কোনো সমাধান দেওয়া হয়নি।
তবে রুবিও জোর দিয়ে বলেছেন, ‘আমরা এমন কোনো পদক্ষেপ নেব না, যা আমাদের মিত্রদের নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করবে।’
.উপসাগরে মার্কিন স্বার্থে হামলার জন্য ইরাকে নতুন গোপন সেল গঠন করেছে ইরান: রয়টার্সের প্রতিবেদন.হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুতে। ট্রাম্প তাঁকে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব ভালো অগ্রগতি’ করেছে বলে জানান।
.ইরান যুদ্ধের ফলে যেভাবে বদলে যাচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল





