বিশ্বকাপ ফাইনালের সময় আর্জেন্টিনায় হৃদ্রোগে দুজনের মৃত্যু
স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্পেনের লাল ঝড়ের সামনে নীল-সাদা স্বপ্নগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল। ভেঙে গেল মেসির স্বপ্নও।
বুধবার আটলান্টায় ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর পর গ্যালারি থেকে সমর্থকদের ছুড়ে দেওয়া একটি ব্যানার হাতে তুলে নেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২–১ গোলের জয়ের ম্যাচে অন্তত পাঁচটি বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। কী সেই বিষয়গুলো?
বিশ্বকাপে মেসি তাঁর প্রথম অ্যাসিস্টটি করেছিলেন ২০০৬ সালে, সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে হার্নান ক্রেসপোকে দিয়ে।
আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর জয়, আলভারেজের অবিশ্বাস্য গোল, মেসির ১০ম অ্যাসিস্ট ও বিতর্কিত লাল কার্ড—এসবের সঙ্গে আলোচনায় মেসি–রেফারি বাগ্যুদ্ধও।
মিসরের বিপক্ষে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে ৩ গোল দিয়ে জয়ের পর রেফারিং নিয়ে অভিযোগ ওঠে। এসব দাবি নাকচ করে স্কালোনি বলেন, বাড়তি সুবিধার ষড়যন্ত্রের ভিত্তি নেই।
আপাতদৃষ্টিতে আর্জেন্টিনাকে খুঁতহীন মনে হলেও কোচ লিওনেল স্কালোনির কণ্ঠে শেষ ৩২-এর প্রতিপক্ষকে নিয়ে ঝরল চরম সমীহ।
টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল হয়ে গেল মেসির। ফুটবলের ইতিহাসে এর আগে কেউ পারেনি।
লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও রদ্রিগো দি পল খাচ্ছেন ক্যান্ডি। কিন্তু লিওনেল স্কালোনির দলে এই ক্যান্ডি খাওয়াটা কেন ম্যাচের একটা রেওয়াজই হয়ে গেছে?
মেসি সর্বোচ্চ নম্বর পাচ্ছেন, সেটি তো বোঝাই যাচ্ছে। অন্যরা কেমন খেললেন,সেটি দেখে নিতে পারেন রেটিং থেকে।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে ও হ্যাটট্রিকের পথে বেশ কয়েকটি রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি।