মজুত তেল বাজারে ছাড়বে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা, তেলের দাম ৯০ ডলারের নিচে
ইরান যুদ্ধের কারণে জাহাজ পরিবহনের খরচ বেড়েছে। সেই বাড়তি ব্যয় শেষমেশ ভোক্তাদের ওপরই চাপানো হবে—বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানির প্রধান বিবিসিকে এ কথা বলেছেন।
ইরান যুদ্ধের কারণে জাহাজ পরিবহনের খরচ বেড়েছে। সেই বাড়তি ব্যয় শেষমেশ ভোক্তাদের ওপরই চাপানো হবে—বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানির প্রধান বিবিসিকে এ কথা বলেছেন।
ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, কিছু ‘অশুভশক্তিকে’ দমন করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে তাঁর ধারণা, এই যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি হবে না।
ইরান যুদ্ধে সামরিক লড়াইয়ের মতোই এখন কূটনৈতিক লড়াই সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ইরান ভূমি এবং জাহাজ লক্ষ্য করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে সক্ষম।
ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালী বন্ধে পারস্য উপসাগরের তেল-গ্যাস রপ্তানি স্তব্ধ। যুক্তরাষ্ট্র এর সুযোগ নিয়ে রেকর্ড রপ্তানি ও মুনাফা করছে। এল পাইসের প্রতিবেদনে ফ্র্যাকিং প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত।
হরমুজ প্রণালী খোলার আলটিমেটাম দিয়েছেন ট্রাম্প, না মানলে ইরানকে এক রাতে ধ্বংসের হুমকি। বিদ্যুৎকেন্দ্র-সেতু ধ্বংস যুদ্ধাপরাধ হলেও তা নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসর মধ্যস্থতায় কাজ করে যাচ্ছে।
হরমুজ প্রণালী সচল রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জাতিসংঘে প্রস্তাব তুলে সামরিক সহায়তার পথ খুঁজছে আমিরাত। উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ইরান যুদ্ধ বন্ধে সহায়তা এবং হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, চীন ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম দেবে না। বেইজিংয়ে বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুতে সতর্কতার কথাও বলেছেন সি।
ইরানের যুদ্ধবিরতির জবাব ট্রাম্পকে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে, ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩.৮% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.২০ ডলারে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল সরবরাহ ব্যাহত, জ্বালানি কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন তেল রপ্তানিকারক হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অস্ত্র তৈরিতে সহায়তার অভিযোগে চীন, হংকংসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অবৈধ ইরানি বাণিজ্যে সাহায্যকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের ড্রোন উৎপাদন ক্ষমতা ও হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রেক্ষাপটও উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালী চালু এবং পরমাণু আলোচনার পথ খুলবে। এতে তেলের দাম কমেছে, তবে ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।