আইআরজিসির ভাইরাল অডিও নিয়ে ট্রাম্পকে ইরানের উপহাস: ‘গুগলে ইডিয়ট লিখে সার্চ দিন’
দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহাস করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহাস করেছে।
সৌদির আগে কাতারও তাদের দেশ থেকে ইরানি সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।
নেতানিয়াহু একাই এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এর মধ্যে টেনে এনেছিলেন।
ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনরা হতাশ এবং নেতিবাচক। চারজনের মধ্যে তিনজনের বেশি স্থল সেনা পাঠানোর বিরোধী। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী খোলা ও যুদ্ধবিরতির জন্য মঙ্গলবার রাত ৮টা (ইস্ট) সময়সীমা দিয়েছেন, না মানলে বিদ্যুৎকেন্দ্র-সেতু ধ্বংসের হুমকি। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে ইসরায়েলের হাইফায় ভবন ধসে ২৪ জন আহত। ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধারের দাবি-পাল্টা অভিযোগ চলছে।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা ফের অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাব এল–মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের হামলায় চার নাবিক নিহত এবং ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি খুলবে না বলে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বক্তব্যসহ নতুন কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসন বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। প্রতিবছর অনেক বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান।
ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন ই-৩ সেন্ট্রি উড়োজাহাজসহ দুটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ১২ সেনা আহত, দুজনের অবস্থা গুরুতর। আওয়াকস হিসেবে পরিচিত এই উড়োজাহাজের আকাশ প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগের বিনিময়ে ইরান ২ হাজার কোটি ডলার ছাড় পেতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধের আশা জাগছে এই আলোচনায়। পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতা করছে।
নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান থামাবে না তাঁর দেশ।