এই স্পেন না জিতলে অবিচার হতো
পাসের পর পাস, প্রেসিংয়ের পর প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষের দমবন্ধ করে শেষ দিকে গোল করে ম্যাচ জিতে নেওয়া। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্পেন তিনটি ম্যাচই জিতেছে এই ছকে।
পাসের পর পাস, প্রেসিংয়ের পর প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষের দমবন্ধ করে শেষ দিকে গোল করে ম্যাচ জিতে নেওয়া। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্পেন তিনটি ম্যাচই জিতেছে এই ছকে।
সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন স্পেন দলের মিডফিল্ডার রদ্রি। এমবাপ্পে জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলের গোল্ডেন বুট।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফেরান তোরেসের গোলে জিতেছে স্পেন। একটি মুহূর্ত পাল্টে দিল তোরেসের ক্যারিয়ার।
নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ জিতল ইউরোপের দলটি।
২০১০ সালে প্রথমবার বিশ্বজয়ের সেই সোনালি সময়ের সঙ্গে ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপের মিলগুলো সত্যিই অবাক করার মতো।
আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচে মাঝমাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গোলরক্ষক, ডিফেন্ডার এবং ফরোয়ার্ডদের মধ্যকার পাঁচটি বিশেষ দ্বৈরথ ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে।
২০১৭ সালের নভেম্বর। মাদ্রিদের উপকণ্ঠে লাস রোজাসের ‘সিউদাদ দেল ফুটবল’–এ চলছে এক কোচিং কোর্সের ক্লাস।
স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে পরিসংখ্যানের দুটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা, যা কয়েক দশক ধরে বিশ্ব ফুটবলে বিদ্যমান।
বল দখলে রাখা স্পেনের প্রধান অস্ত্র, অন্যদিকে শক্ত রক্ষণ ও মেসির জাদুকরী আক্রমণ নিয়ে প্রস্তুত স্কালোনির আর্জেন্টিনা। নিউ জার্সির ফাইনালে দুই দলের কৌশলগত লড়াই হবে দেখার মতো।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ যখন শেষ বাঁশি বাজবে, তাঁর জীবন একটুও বদলাবে না। আর্জেন্টিনা জিতলেও না, আর্জেন্টিনা হারলেও না।
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইনস্টাগ্রামে দলের ছবি পোস্ট করে সতীর্থ ও কোচিং স্টাফদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন লিওনেল মেসি।
গ্রুপ পর্বে সহজ জয়ের পর নকআউটে একের পর এক ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্রয়ের পর স্পেন জিতেছে সব ম্যাচেই, গোল খেয়েছে মাত্র একটি।