চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজারে পাহাড়ধসের মূল কারণ পাহাড় কেটে পাহাড়ের শ্রেণি পরিবর্তন।
পাহাড়ের মৃত্যুমিছিল থামাতে হলে পাহাড়ের প্রকৃতি ও সংস্কৃতির ন্যায্যতা প্রশ্নে ‘জাতীয় পাহাড় ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ জরুরি।
পাহাড়ের মৃত্যুমিছিল থামাতে হলে পাহাড়ের প্রকৃতি ও সংস্কৃতির ন্যায্যতা প্রশ্নে ‘জাতীয় পাহাড় ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ জরুরি।
কক্সবাজারের উখিয়ায় ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধসে চার কন্যাশিশুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি বর্ষা মৌসুমে শিশুদের নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের মাইজ কাকারা গ্রামে ঢলের পানিতে আড়াই বছরের শিশু মোহাম্মদ ওয়াকিমের মৃত্যু হয়েছে। ভোরে পানি ঘরে ঢুকলে পরিবার খাটের ওপর আশ্রয় নেয়; কিন্তু খাট থেকে কখন পানিতে পড়ে গেছে তা কেউ টের পাননি—পরে মরদেহ ভেসে ওঠে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পাহাড়ধসসহ বিভিন্ন ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্র, নগদ টাকা ও খাদ্যসহায়তাসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও সংসদে তুলে ধরেন তিনি।
উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে পাহাড় ধসে বেঁচে যাওয়া মাদ্রাসাশিক্ষক জানালেন কী ঘটেছিল সেদিন
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের বি-৬ ব্লকে পারিবারিক বিরোধের জেরে মা ও সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, অভিযুক্ত স্বামী বর্তমানে পলাতক।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে রুমি আক্তার ও ওয়াহিদুল ইসলাম নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজারের শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিনের সৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ দুটি বিকৃত হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
চার দিন ধরে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম–১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বিশেষ করে তাঁর লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রীর এলাকার মানুষ পানিতে ভাসছে।
আজ বুধবার বেলা দুইটার দিকে ভারী বর্ষণে দেয়াল ধসে পড়লে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার আগে মাদ্রাসাটিতে ৩০ জন শিশু ছিল।
কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর আশ্রয়শিবিরে দেয়াল ধসে তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও কয়েকজন মাটিচাপা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।