কোরআন কেন নবীজির শ্রেষ্ঠ অলৌকিক নিদর্শন
প্রথমেই কোরআন পুরো গ্রন্থের অনুরূপ কিছু রচনার চ্যালেঞ্জ দেয়। পরে সেই চ্যালেঞ্জকে আরও সহজ করে ১০টি সুরা রচনার আহ্বান জানানো হয়। পরে মাত্র একটি।
প্রথমেই কোরআন পুরো গ্রন্থের অনুরূপ কিছু রচনার চ্যালেঞ্জ দেয়। পরে সেই চ্যালেঞ্জকে আরও সহজ করে ১০টি সুরা রচনার আহ্বান জানানো হয়। পরে মাত্র একটি।
একজন মুসলমানের জন্য কমপক্ষে এতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক, যতটুকু না হলে ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো পালন করা তার জন্য অসম্ভব।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার জ্ঞানতত্ত্ব অনুযায়ী সত্যের উৎস এক এবং সব সহি জ্ঞান অবশেষে একই হাকিকতের দিকে অগ্রসর হয়; এই প্রেক্ষাপটে সত্যের মানদণ্ড ও যাচাইকরণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
যুদ্ধবন্দীর সন্তান হিসেবে মদিনায় জন্ম নেওয়া হাসান বসরি (রহ.) কীভাবে তাঁর জ্ঞান, তাকওয়া এবং সাহাবিদের সান্নিধ্যে তাবেয়ি যুগের শ্রেষ্ঠ মনীষী ও জাতির বিবেকে পরিণত হলেন, তার জীবনচরিত।
অতীতে একটি মাত্র হাদিস যাচাই করার জন্য অনুরাগী শিক্ষার্থীরা হাজার মাইল পথ সফর করতেন। খাতিব আল-বাগদাদি হাদিস সংগ্রহের সফর বিষয়ে পৃথক ইতিহাস সংকলন করেছেন।
সচেতন মুসলমানের উচিত এই মাসকে ভয় না করে স্বাভাবিকভাবে আল্লাহর আনুগত্যের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করা, প্রয়োজনীয় কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা বিয়েশাদি নির্দ্বিধায় সম্পন্ন করা।
প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত।
মদিনা ছিল একটা উর্বর মরূদ্যান, যেখানে খেজুরবাগান ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি একটি নতুন জনগোষ্ঠীকে খাদ্য-নিরাপত্তা দেওয়ার সামর্থ্য রাখত। যা মক্কার শুষ্ক, বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতিতে ছিল না।
সলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো এমন একটি দিন পার করে দেওয়া, যেদিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বা মানবতার কল্যাণে কোনো আমল করা হয়নি।
যেসব অভ্যাস মুমিন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়, লোক সমাজে তার সম্মান-মর্যাদা ক্ষুন্ন করে তা পরিহার করা আমাদের জন্য অপরিহার্য।
ক্রিপ্টোকারেন্সির চরম মূল্য ওঠানামা, জবাবদিহির অভাব, আর এর মাধ্যমে মাদক, অস্ত্র চোরাচালান ও অর্থ পাচারের ঝুঁকি—এসব উম্মাহর সামগ্রিক কল্যাণের পরিপন্থী।