রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয় সূচকেই শীর্ষ বগুড়া
পাসের হার ও জিপিএ-৫—উভয় সূচকেই রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বগুড়া জেলা, যদিও গত বছরের তুলনায় প্রাপ্তির হার কিছুটা কমেছে।
পাসের হার ও জিপিএ-৫—উভয় সূচকেই রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বগুড়া জেলা, যদিও গত বছরের তুলনায় প্রাপ্তির হার কিছুটা কমেছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ফেনী জেলা শীর্ষে রয়েছে। জেলায় পাসের হার ৭২ দশমিক ৬২ শতাংশ। বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার এক বছরের ব্যবধানে ১৫ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি কমেছে।
পিরোজপুরের মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১ জন পাস করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
যশোরের কৈখালী গ্রামের যমজ বোন অঙ্কিতা ও অনুসূয়া বিশ্বাস মাহমুদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উভয়েই জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশীয় পয়েন্ট।
রাজশাহীর সাদিয়া বেগম ও তাঁর ছেলে একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে ৪টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছে। তবে সামগ্রিক পাসের হার ও জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলে শিক্ষার্থীদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
খুলনার দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল হতাশাজনক, কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
রাজধানীর ডেমরায় সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯৯.৫৯। এদের মধ্যে ৭৯৩ জন জিপিএ–৫ পেয়েছে।
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া আক্কাস আলী হাই স্কুলের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে হতাশা, ৩২ জনের মধ্যে পাস মাত্র ১ জন।
ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০.৪৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নেত্রকোনা। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদ প্রতিষ্ঠিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।