
হরমুজ দ্রুত না খুললে বড় সংকট হবে: সৌদি আরামকো
ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো হরমজু প্রণালি দিয়ে যেতে পারছে না। এর ফলে প্রতিদিন বৈশ্বিক সরবরাহ প্রায় দুই কোটি ব্যারেল কমে যাচ্ছে।

ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো হরমজু প্রণালি দিয়ে যেতে পারছে না। এর ফলে প্রতিদিন বৈশ্বিক সরবরাহ প্রায় দুই কোটি ব্যারেল কমে যাচ্ছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে জাহাজ পরিবহনের খরচ বেড়েছে। সেই বাড়তি ব্যয় শেষমেশ ভোক্তাদের ওপরই চাপানো হবে—বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানির প্রধান বিবিসিকে এ কথা বলেছেন।

বাংলাদেশে একসময় ডিজেলের প্রায় পুরোটা আসত মধ্যপ্রাচ্য থেকে। মূলত কুয়েত থেকেই জাহাজে করে আসত অধিকাংশ চালান। তবে গত দুই দশকে আমদানির উৎসে বড় পরিবর্তন এসেছে। এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ ডিজেল সরবরাহে প্রধান হয়ে উঠেছে, পাশাপাশি ভারত থেকেও আসছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেদ্রো উপকূল হয়ে আমাদের জাহাজ চলছে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ–পশ্চিম কোণ বরাবর।

কাঁচামাল, জাহাজভাড়া ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে রডের দাম টনপ্রতি ১০ হাজার টাকা বেড়ে এখন ৯০–৯৪ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ১০ দিনের মাথায় আজ সোমবার ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে একটি ট্যাংকার। এক সপ্তাহের মধ্যে আসবে আরও চারটি। এসব ট্যাংকারে ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন ডিজেল রয়েছে। এশিয়ার দেশগুলো থেকে এসব পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে।

কলম্বোয় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জেন হাওয়েল শ্রীলঙ্কা সরকারকে স্পষ্ট করে বলেছেন, বুশেহর জাহাজের ক্রু ও ডেনা থেকে বেঁচে ফেরা ৩২ সদস্যের কাউকেই ইরানে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শব্দের গতিবেগ অতিক্রমে সক্ষম পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ এক্স–৫৯ প্রথমবারের মতো সফলভাবে আকাশে উড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়োজাহাজ পরিচালনা করা আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা।

অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল, কেরাসিনের মজুত কত, কী পরিমাণ পাইপলাইনে আছে, কোন জাহাজ কোথায় আছে, কত দিন পর দেশে আসবে—তা নিয়ে প্রতিদিন একবার জ্বালানি মন্ত্রণালয় ব্রিফিং করতে পারে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বিস্তারে শ্রমবাজার, ফ্লাইট যোগাযোগ ও রেমিট্যান্স ঝুঁকিতে বাংলাদেশি কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।