ইরানে বড় হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে সৌদি যুবরাজের আহ্বান
ইরানে সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
ইরানে সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।
ইরানি বন্দরগুলোয় সব ধরনের সামুদ্রিক যাতায়াতের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
পরপর দুই দিনে ইরানের প্রায় ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা আঘাত। নিহত অন্তত ১৪ জন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পোপ লিও চতুর্দশের ইরান যুদ্ধ ও অভিবাসন নীতির সমালোচনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে ‘দুর্বল’ বলে আক্রমণ করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে এবং সাংবাদিকদের সামনে বলেছেন, ‘আমি এই পোপের একদমই ভক্ত নই।’ পোপও ট্রাম্পের পারমাণবিক হুমকিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলেছেন।
হুমকি ও পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেও হরমুজ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি পণ্যবাহী জাহাজ পাড়ি দিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী। প্রণালিটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার কথাও জানিয়েছে তারা।
প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া এবং আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট নেতারা এই বক্তব্যকে নিন্দনীয় ও ভয়াবহ বলে সমালোচনা করেছেন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের জীবনে প্রভাব ফেলছে।
ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলা শুরুর কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র; দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার পাল্টা জবাব দিতে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
ইরানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নবাদী ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
ইরানে চলা যুদ্ধকে ইসরায়েল আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও পরাজয়ের মুখোমুখি করেছে। বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধবিরোধী হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক নেতারা ইসরায়েল থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।