
‘লাকি সিক্সে’ ভাগ্য ফিরবে কি রোনালদোর পর্তুগালের
৬’ সংখ্যাটার সঙ্গে পর্তুগালের একটা অদ্ভুত সংযোগ আছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ইউসেবিওর পর্তুগাল তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছিল, শেষ পর্যন্ত হয়েছিল তৃতীয়।

৬’ সংখ্যাটার সঙ্গে পর্তুগালের একটা অদ্ভুত সংযোগ আছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ইউসেবিওর পর্তুগাল তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছিল, শেষ পর্যন্ত হয়েছিল তৃতীয়।

বিশ্বকাপের আবহে চলুন জেনে নেওয়া যাক বলিউডের সবচেয়ে ‘ফুটবলপাগল’ কয়েকজন তারকার গল্প।

প্রশ্ন উঠছে, রোনালদো এই পর্তুগালের জন্য অপরিহার্য কি না? সামর্থ্যের দিক থেকে প্রশ্ন ছিল না কখনোই। কিন্তু ফিটনেসের দিক থেকে কি তিনি প্রস্তুত?

২০২৬ বিশ্বকাপে মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পেদের মতো তারকা ফুটবলারদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে বেশ কিছু রেকর্ড।

এবার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে প্রথম গোলটি মেক্সিকো ফরোয়ার্ড হুলিয়ান কিনিয়োনেসের। ম্যাচে ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে গোল করে ২০২৬ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অমর হয়ে রইলেন।

প্রায় এক দশক এল ক্ল্যাসিকোর উত্তাপে একে অপরকে চ্যালেঞ্জ করেছেন, ব্যালন ডি’অর পালা করে জিতেছেন। কিন্তু বিশ্বকাপে কখনোই দেখা হয়নি মেসি–রোনালদোর।

রোনালদোর এখন ৪১, মেসি ৩৮ ও নেইমারের ৩৪ বছর। সংখ্যাগুলোর চাহনি বলছে, ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত কেউ টিকবেন না। নিশ্চয়ই ভাবছেন, তাহলে ‘দই’ দেখে ভয় পাওয়ার কী আছে? বটে!

রোনালদোর পর কতজন এলেন, গেলেন। কিন্তু ওই চেনা ঘরানার ‘নম্বর নয়’ আর ফিরে আসেনি সেলেসাওদের জার্সিতে। দুয়ারে কড়া নাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ।

স্বাগতিকদের ২-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচটিতে ৪৫ মিনিট মাঠে ছিলেন রোনালদো। কোনো গোল করেননি, অ্যাসিস্টও নেই।

অনুশীলনে সাদা টি-শার্ট আর কালো প্যান্টে হাজির হয়েছিলেন রোনালদো। দেখে খুব একটা জাঁকজমক লাগছিল না।

৪১ বছর বয়সেও কী খেয়ে দুর্দান্ত ফিটনেস ধরে রেখেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো? সেটাই বলেছেন তাঁর সাবেক শেফ জর্জিও বারোন।

পর্তুগালের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ‘সিআর সেভেন’।