গ্যাস–সংকটের সঙ্গে চলছে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, কাটবে কবে
গ্যাস না পেয়ে ধুঁকছে শিল্পের চাকা ও রান্নার চুলা। সর্বোচ্চ লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
গ্যাস না পেয়ে ধুঁকছে শিল্পের চাকা ও রান্নার চুলা। সর্বোচ্চ লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে নামমাত্র শুল্ক ও ৫ বছর কর অবকাশের প্রস্তাব ভেবে দেখছে সরকার। ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, জুনের মধ্যে বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা ঘোষণা হবে। ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুরের ছাদ থেকে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লার পাইপ ফেটে যায় এবং কুলিং ফ্যান ভেঙে গিয়েছিল। ১ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পারমাণবিক চুল্লি থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে গ্রীষ্মের আগেই লোডশেডিং শুরু হয়েছে। চাহিদার দ্বিগুণ ২৯ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা থাকলেও গ্রামে ঢাকার চেয়ে বেশি কাটতি হচ্ছে। সরকার সাশ্রয়ের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটির কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের একটি ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
যান্ত্রিক ত্রুটিতে চার দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট আবার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরেছে।
আগুন লাগার স্থান স্ক্র্যাপ ইয়ার্ড থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষম মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান।
৩০ আগস্ট সন্ধ্যার পিক সময়ে সারা দেশে ১ হাজার ৯৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস। ঢাকায় সর্বোচ্চ ৫৬৯ মেগাওয়াট এবং বরিশালে সর্বনিম্ন ৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে আজ সন্ধ্যায় সারা দেশে ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস। ঢাকায় সর্বোচ্চ ৬৯৮ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের শঙ্কা রয়েছে।
বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ পিএলসি।
গতকাল বৃহস্পতিবার ৬২টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দেশে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের তীব্রতা দেখা গেছে।