
আব্বু আমার শুকতারা
ফারজানা আহমেদ লিসা তাঁর বাবাকে স্মরণ করেছেন। বাবা দিবসে তিনি লেখেন, ছোটবেলায় বাবার হার্ট অ্যাটাকের পর মা চাকরি নিলেও আব্বুই তাঁদের বড় করেছেন।

ফারজানা আহমেদ লিসা তাঁর বাবাকে স্মরণ করেছেন। বাবা দিবসে তিনি লেখেন, ছোটবেলায় বাবার হার্ট অ্যাটাকের পর মা চাকরি নিলেও আব্বুই তাঁদের বড় করেছেন।

প্রবাসী সঞ্জয় সরকার মা দিবসে তাঁর মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আমি একদৃষ্টে মায়ের দিকে চেয়ে রইলাম। মৃত প্রাণে আশার সঞ্চার হলো। তখন মাকে জিজ্ঞাসা করিনি, এত টাকা কোত্থেকে জোগাড় হলো!

‘মা’ শব্দের গভীর অর্থ ও বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাস নিয়ে লেখকের আবেগময় প্রতিফলন।

গ্রামীণ শৈশবের স্মৃতি থেকে দূরপ্রবাসে মায়ের অদম্য ভালোবাসার গল্প। শৈশবের দুষ্টুমি, অসুস্থতার সেবা, বিদায়ের কান্না—সবই মায়ের নিবিড় সান্নিধ্য। যুগে যুগে মায়েরা সন্তানের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে চলেছেন।

মুক্তকণ্ঠের কার্যালয়ে কর্মজীবী মায়েদের মানসিক চাপ কমানোর উপায় নিয়ে সচেতনতা অধিবেশন হয়েছে। ‘মনের বন্ধু’র বিশেষজ্ঞরা নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশ্ব মা দিবসের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানে ৫০ জন নারী কর্মী অংশ নেন।

পথশিশু থেকে আইনজীবী হয়ে ওঠা এক মেয়ের মর্মস্পর্শী গল্প। অ্যাডপ্টিভ মায়ের অসুস্থতায় হাসপাতালের ঘটনা, যা মা-সন্তানের ভালোবাসার গভীরতা তুলে ধরে। মা দিবস উপলক্ষে দূরপ্রবাসীদের জন্য হৃদয়গ্রাহী বর্ণনা।

ফেসবুকে সক্রিয় আফজাল হোসেন সোমবার একটি সাদা-কালো ছবি পোস্ট করে মায়ের স্মৃতিচারণ করেছেন। তার লেখায় গ্রামের স্মৃতি, জীবনের দর্শন ও মায়ের উপদেশ ফুটে উঠেছে। মুক্তকণ্ঠ বিনোদন পাঠকদের জন্য এই লেখ প্রকাশ করা হলো।

বিশ্ব মা দিবসে রাজশাহীতে মুক্তকণ্ঠ রাজশাহী বন্ধুসভা আয়োজন করে আবেগঘন অনুষ্ঠান। সন্তানরা মায়েদের ফুল দিয়ে ভালোবাসা জানায় এবং বিভিন্ন মা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে গান, কবিতা ও স্মৃতিচারণা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এক প্রবাসীর মায়ের স্মৃতি। বাংলার শিক্ষকা ছিলেন তিনি, যিনি ডিমেনশিয়া ও আলঝাইমারে কষ্ট সহ্য করে চলে গেছেন। বিদেশী মাটিতে বাংলা শিলালিপি তাঁর কবরে স্থাপিত।

মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডারের ‘মাকে বলি ভালোবাসি’ ক্যাম্পেইনে ভিডিও, ছবি বা লেখা শেয়ার করে অংশ নিন। সেরাদের জন্য কক্সবাজার ভ্রমণ, স্মার্টফোন ও ফাইভ স্টার ডিনারের মতো পুরস্কার অপেক্ষা করছে। অংশগ্রহণের শেষ তারিখ ২৪ মে ২০২৬।

প্রায় ২৫ বছর আগে ছিনতাইকারীদের ছুরি খেয়ে রক্তাক্ত হয়ে ছেলেকে স্কুল থেকে নিতে এসেছিলেন অভিনয়শিল্পী তৌসিফ মাহবুবের মা। ছোট তৌসিফ একাই মাকে হাসপাতালে নিয়ে সবার প্রশংসা পান। মা দিবসে সেই স্মৃতি শেয়ার করে তৌসিফ বলেন, এখনো সেই দৃশ্য মনে পড়লে শরীর শিউরে ওঠে।