ইরানে সামরিক অভিযান মানবতাবিরোধী: সিপিবি
ইরানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নবাদী ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
ইরানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নবাদী ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
সম্প্রতি এক ঝটিকা অভিযানে মার্কিন বাহিনী প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে যায়।
ইরানে আহত মার্কিন কর্নেল উদ্ধার অভিযান থেকে ট্রাম্প শিক্ষা নিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি ইরানকে অশ্লীল ভাষায় হরমুজ প্রণালি খোলার হুমকি দিয়েছেন এবং স্থল অভিযানের কথা ভাবছেন। আমেরিকান রাজনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা তাঁর এই আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ইরানে গত শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে একজন ক্রু পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে এক দিনের বেশি সময় টিকে ছিলেন। মার্কিন কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন, যাতে সিআইএ এবং ইসরায়েল সহযোগিতা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যোদ্ধাকে সাহসী বলে সম্মান জানিয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে তুলে আনার জন্য মার্কিন সামরিক অভিযান চালানোর কয়েক মাস আগে থেকেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন।
সৌদি আরব ও কুয়েত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ পুনরায় শুরু করতে আকাশসীমা ও ঘাঁটি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অনুমতি ট্রাম্প প্রশাসনের একটি বড় বাধা দূর করেছে। ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া এবং আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে অতিসত্বর বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজগুলো যেখানে সংরক্ষিত রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র সেই নির্দিষ্ট এলাকায় অত্যন্ত শক্তি
তেহরান নতুন করে আলোচনায় না আসা পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও কঠোর অবস্থান বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
মার্কিন বাহিনী কুয়েতে ইরাকের বিরুদ্ধে ‘ডেজার্ট স্টর্ম’ অভিযান চালিয়েছিল
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সতর্কতা বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প শর্ত মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ করবেন বলেছেন।
ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দেশটিতে সহিংসতা উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘বিদেশি এজেন্ট’ মোতায়েন করেছে, যাতে পরবর্তীকালে (দেশটির বিরুদ্ধে) সামরিক শক্তি ব্যবহারের অজুহাত তৈরি করা যায়।