
২০২৬ সালে যে ১০ চাকরিতে সবচেয়ে বেশি মানসিক চাপ
শুধু ছুটির মৌসুমেই নয়, সাধারণ কর্মজীবনেও চাপ এখন সমানভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিফট ওয়ার্ক এতটা চাপের সৃষ্টি করে যে এটিকে ‘শিফট সুলকিং বা শিফটভিত্তিক কাজের কারণে হওয়া অবসাদ’ পর্যন্ত বলা হয়েছে।

শুধু ছুটির মৌসুমেই নয়, সাধারণ কর্মজীবনেও চাপ এখন সমানভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিফট ওয়ার্ক এতটা চাপের সৃষ্টি করে যে এটিকে ‘শিফট সুলকিং বা শিফটভিত্তিক কাজের কারণে হওয়া অবসাদ’ পর্যন্ত বলা হয়েছে।

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট আয়োজিত অনলাইন মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচক

মুখের ভেতর ঠোঁটের নিচের অংশে প্রায়ই একটা ঘায়ের মতো হয়। ১০-১৫ দিন থাকে, তারপর আবার ঠিক হয়ে যায়।

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের আয়োজিত মাদকবিরোধী সভায় ডা. ফারজানা রহমান মানসিক চাপ কমানোর সহজ কৌশল তুলে ধরেন। ডিজিটাল ডিটক্স, শিথিলায়ন ও ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে মনের জট খোলা যায়। নিজের জন্য ৫-৩০ মিনিট সময় বের করা জরুরি।

মনের চাপ কমাতে প্রতিক্রিয়ার বদলে নিয়ন্ত্রণ করুন। সাধারণত কেউ আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলে আমরা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাই, যা পরিস্থিতির ওপর

মুক্তকণ্ঠের কার্যালয়ে কর্মজীবী মায়েদের মানসিক চাপ কমানোর উপায় নিয়ে সচেতনতা অধিবেশন হয়েছে। ‘মনের বন্ধু’র বিশেষজ্ঞরা নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশ্ব মা দিবসের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানে ৫০ জন নারী কর্মী অংশ নেন।

মানসিক চাপ সামলাতে না পারায় কারও কারও আচরণ বদলে যায়। আচরণের এ পরিবর্তন অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিজঅর্ডারের অংশ হতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর কোনো বিষয়ে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বন্যার কারণে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করবে সরকার।

ইনফার্টিলিটি বিষয়ে আলোচনা, পিসিওএস প্রভাব, লাইফস্টাইল পরিবর্তন, মানসিক চাপ কমানো ও মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

গসিপ (পরচর্চা) কি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে? মস্তিষ্ক আর হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে? এককথায় এই প্রশ্নের উত্তর হবে, ‘হ্যাঁ।’ তবে ‘কিন্তু’ আছে।

অনলাইনে নেতিবাচক কনটেন্ট নিয়মিত দেখলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা ও মানসিক চাপ বাড়তে পারে বলে নেচার হিউম্যান বিহেভিয়ারে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে। গবেষকেরা কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।