প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা অনিবার্য কারণে চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে না পারা শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, যেসব পরীক্ষার্থী নির্দিষ্ট বিষয়ে অংশ নিতে পারেননি, তাঁরা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
সংসদে দেওয়া তথ্যে শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এ সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান—এই পাঁচ জেলার পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। তবে চট্টগ্রাম বোর্ডের বাইরে ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায়ও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু শিক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও অন্য অনিবার্য কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। এসব পরীক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, "যেসব পরীক্ষার্থী প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা অনিবার্য কারণে কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাঁরা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন।"
শিক্ষার্থীদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি আরও উল্লেখ করেন।
এদিকে পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, "পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, সে কারণে কোনো পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।"






