
জেট ফুয়েলের মজুত নিয়ে শঙ্কায় ইউরোপ, সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে শিগগির ফ্লাইট বাতিল হতে পারে
বৈশ্বিক বাজারে জেট ফুয়েলের সবচেয়ে বড় উৎস উপসাগরীয় অঞ্চল

বৈশ্বিক বাজারে জেট ফুয়েলের সবচেয়ে বড় উৎস উপসাগরীয় অঞ্চল

আইইএর প্রধান বলেছেন, ইউরোপের কাছে ‘হয়তো আর মাত্র ৬ সপ্তাহের মতো উড়োজাহাজের জ্বালানি অবশিষ্ট আছে’।

নেত্রকোনায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট চলছে। ফলে অধিক মুনাফার আশায় দুই ব্যবসায়ী তাঁদের গুদামে ৩ হাজার ১০০ লিটার ডিজেল মজুত করেছিলেন।

অকটেনের মজুত বাড়ছে, কমেছে সরবরাহ, ভোগান্তি

অকটেনের মজুত বাড়ছে, ১৭ এপ্রিল আরও জাহাজ আসছে। কিন্তু সরবরাহ কমায় ফিলিং স্টেশনে লাইন লম্বা। মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভীতি কমলে ভোগান্তি কমবে।

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ‘লাকী স্টোর’ নামক মুদিদোকানে ৩৪০০ লিটার ভোজ্যতেল মজুত করা হয়েছিল। র্যাবের অভিযানে তেল উদ্ধারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

র্যাবের অভিযানে চট্টগ্রাম, সিরাজগঞ্জ ও ফরিদপুরে প্রায় ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি ও ভোজ্যতেলের অবৈধ মজুত শনাক্ত হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩ লাখ ৬১ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে এবং দুজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে র্যাব জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, দেশে ডিজেলের মজুত ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ টন। প্রয়োজনে আগামী মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করবে সরকার। অকটেন ১০ হাজার ৫০০ টন ও পেট্রল ১৬ হাজার টন মজুত রয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, প্রয়োজনে আগামী মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করা হবে। দেশে সব ধরনের জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সেচ মৌসুমে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জামালপুরে শ্বশুর মো. হাবিব ও জামাই নাজমুল হাসান মোটরসাইকেলে জ্বালানি সংগ্রহ করে মজুত করতেন এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছিলেন। গতকাল রাতে অভিযানে গ্রেপ্তার হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

নেত্রকোনায় জ্বালানি সংকটের সুযোগ নিয়ে এক ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ৪ হাজার ৩০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে প্রশাসন। ব্যবসায়ী রহমতউল্লাহকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ ডিজেল সরকারি দরে বিক্রির জন্য ফিলিং স্টেশনে পাঠানো হবে।

ইরান সম্পর্কে একটি সূত্র বলেছে, ‘এখনো পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা তাদের রয়েছে।’