
কর ফাঁকি দেওয়া কি ইসলামে বৈধ
কর ফাঁকি দিলে তাতে জনগণের হক নষ্ট করার অপরাধও হয়। কেননা, কোটি মানুষের অর্থে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ঠিকই ভোগ করছেন, কিন্তু রাষ্ট্রের যে পাওনা, তা পরিশোধ করছেন না।

কর ফাঁকি দিলে তাতে জনগণের হক নষ্ট করার অপরাধও হয়। কেননা, কোটি মানুষের অর্থে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ঠিকই ভোগ করছেন, কিন্তু রাষ্ট্রের যে পাওনা, তা পরিশোধ করছেন না।

মমতার জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে বিধানসভার ভেতর থেকে।

ইসলামের বিধান হলো, অর্থের বাহ্যিক বৈধতা নয়, উৎসই মূল বিষয়। ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী এটি কয়েকটি হারাম বিষয়ের সমষ্টি: অন্যায় উপার্জন, প্রতারণা, ঘুষ ও তথ্য গোপন।

চোখ যদি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তবে তা বহু পাপের পথ খুলে দিতে পারে। তাই ইসলাম দৃষ্টির হেফাজতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

চামড়ার বাজারে নজিরবিহীন ধস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চামড়ার সঠিক মূল্য না পেয়ে হতাশায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ চামড়া মাটির নিচে পুঁতে ফেলছেন।

সম্প্রতি কোরবানির এই মহান ইবাদতের সঙ্গে নতুন একটি ব্যাপার যুক্ত হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হতে দেখা গেছে কোরবানির পশুর বিভিন্ন নাম।

অসহায়দের হাতে তুলে দেওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। তবে যারা শরিকে বা ভাগে কোরবানি করেন, তাঁদের জন্য গোশত বণ্টনের ক্ষেত্রে শরিয়তের অত্যন্ত কঠোর একটি বিধান রয়েছে।

হাটে পশুকে নির্মমভাবে পেটানো, ট্রাকে গাদাগাদি করে আনা, কিংবা জবাইয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় কষ্ট দেওয়া—আমাদের প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।

যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।

শহুরে ব্যস্ততা এবং প্রবাসীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির বিজ্ঞাপন এখন বেশ জনপ্রিয়। ইসলামের এই আধুনিক ব্যবস্থাকে কীভাবে দেখে?

১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যক্তির মাঝে পাঁচটি শর্ত পাওয়া গেলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৯ মে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর কথিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, গরুর মাংস কেনাবেচায় বিধিনিষেধসহ নানা পদক্ষেপে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য।