সাংবাদিক প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান কর্মসূচি
সাংবাদিক নেতারা সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিক প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন, উন্মুক্ত বিচার চান।
সাংবাদিক নেতারা সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিক প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন, উন্মুক্ত বিচার চান।
ইসলাম পিতা-মাতার অধিকার ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে; কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং আচার-আচরণের দিকনির্দেশ তুলে ধরা হয়েছে।
এখন ইন্টারনেটে এমন সব ভিডিও বা অডিও ক্লিপ ছড়াচ্ছে, যা দেখে সাধারণভাবে বোঝার কোনো উপায় নেই যে এটি আসল, নাকি সম্পূর্ণ কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা মিথ্যা।
শৈশবে একটা শিশুর নিজের ভালো-মন্দ বা গোপনীয়তা বোঝার সামর্থ্য থাকে না। সেই সরলতার সুযোগ নিয়ে তার প্রতিটি মুহূর্তকে কোটি মানুষের সামনে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
চুরি তখনই বাড়ে, যখন চোর জানে যে তার পণ্য সহজেই বিক্রি হয়ে যাবে। যারা কম দামের লোভে এসব কেনে, তারাই মূলত চোরের জন্য বাজার তৈরি করে দেয়।
একজন লেখক যখন কোনো ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কনটেন্ট লিখে দেন, চুক্তি স্বচ্ছ এবং উভয় পক্ষের সম্মতি আছে—শরিয়তের দৃষ্টিতে এতে আপত্তির জায়গা নেই।
জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রক্রিয়া সব যুগেই ছিল—কখনো ঘটকের মাধ্যমে, কখনো পারিবারিক যোগাযোগে, কখনো সামাজিক অনুষ্ঠানে। মাধ্যম বদলেছে, প্রয়োজন বদলায়নি।
দেনমোহরের ঘরে একটা বড় অঙ্ক লেখা হয়। বর স্বাক্ষর করেন, কাজি সাক্ষ্য লেখেন, অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। কিন্তু টাকাটা কি দেওয়া হয়? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উত্তর— না।
ইউটিউব চ্যানেল, মনেটাইজড ফেসবুক পেজ, ই-কমার্স স্টোর, যেখান থেকে নিয়মিত আয় হয়। এগুলো সরাসরি সম্পদ এবং শরিয়তের উত্তরাধিকার বিধান অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টিত হবে।
ইসলামের একটি মৌলিক বিধান হলো, হারাম বলে নির্ধারণ হয়নি—এমন সব বিষয়ই বৈধ বা হালাল। তবে সন্দেহজনক বস্তু থেকে বিরত থাকা উত্তম।
উপকরণ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অধিক মুনাফার আশায় খাদ্য বা জরুরি পণ্য লুকিয়ে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করাকে মজুতদারি বলা হয়।
কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা ও কর্মীর অধিকার নিশ্চিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল পেশাগত দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি বড় ইবাদত।