‘মৃত্যু নিয়ে এমন ব্যবসা ঠিক না!’ কারিনার মৃত্যুর গুজবে ক্ষুব্ধ কায়সার হামিদ
ভারতে চিকিৎসাধীন কারিনা কায়সারের মৃত্যুর গুজব নিয়ে ক্ষুব্ধ তাঁর বাবা কায়সার হামিদ। ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে মিথ্যা ফটোকার্ড। তাঁর স্বাস্থ্যাংশ নিয়ে পরিবারের উদ্বেগ বাড়ছে।
ভারতে চিকিৎসাধীন কারিনা কায়সারের মৃত্যুর গুজব নিয়ে ক্ষুব্ধ তাঁর বাবা কায়সার হামিদ। ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে মিথ্যা ফটোকার্ড। তাঁর স্বাস্থ্যাংশ নিয়ে পরিবারের উদ্বেগ বাড়ছে।
‘জাকাতের চেয়ে চাঁদাবাজি ভালো’- বিএনপি নেতা নিলোফার চৌধুরী মনির এমন বক্তব্য–সংবলিত ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা দুটোই চলছে, প্রতিবাদও হচ্ছে।
বিতর্কিত যেসব ফেসবুক পেজ থেকে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারসহ বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হয়, সেসব পেজের অ্যাডমিনদের নির্দেশনা দেওয়া এবং অর্থায়ন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম করেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেতের ছবি ব্যবহার করে কিছু ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন তিনি।
এই গুজব ছড়াতে কখনো কোনো টেলিভিশন চ্যানেলের ফটোকার্ডের আদলে ফটোকার্ড তৈরি করা হচ্ছে, কখনো আবার এআই দিয়ে তৈরি ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্বাধীনভাবে অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারলেও এখন আর পারছেন না বলে আব্দুল জব্বারের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, এটি সত্য নয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের একটি বক্তব্য ফটোকার্ড করে ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। এতে দাবি করা হচ্ছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ জাল ভোট পড়েছে বলে টিআইবি জানিয়েছে। তবে টিআইবি বলেছে, তাদের তথ্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
নির্বাচনের সরগরম প্রচারণার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসহ একটি ফটোকার্ড তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।’ আসলে এমন কোনো কথা তিনি বলেননি।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘প্রতারক’ বলেছেন প্রবীণ রাজনীতিক ড. কামাল হোসেন, এমন একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়ালেও তা আসলে মিথ্যা।
নোয়াখালী কারাগার থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মাহবুব এলাহী জিপিএ-৫ পায়নি, আর ফটোকার্ডের ছবিটি এআই-নির্মিত।
জামায়াত সংসদ সদস্য আমির হামজা তেল সংকট নিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ভুয়া বক্তব্যকে সত্যি ধরে সমালোচনা করেছেন। স্যাটায়ার পেজ থেকে ছড়ানো এই অপতথ্যে মির্জা ফখরুল, শামা ওবায়েদসহ অন্যরাও শিকার হয়েছেন। সম্পাদিত ফটোকার্ডও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।