
‘পানি মেপে মেপে খাই, অনেক সময় তেষ্টা থেকে যায়’
খুলনার কয়রায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট। ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলার পর থেকে লবণাক্ততায় ভূগর্ভস্থ পানি খাওয়া যায় না, মানুষ পুকুরের পানি কিনে বা কাঁধে বয়ে খাচ্ছে। পরিবারের আয়ের ২০-২৫ শতাংশ পানিতেই খরচ হচ্ছে।

খুলনার কয়রায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট। ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলার পর থেকে লবণাক্ততায় ভূগর্ভস্থ পানি খাওয়া যায় না, মানুষ পুকুরের পানি কিনে বা কাঁধে বয়ে খাচ্ছে। পরিবারের আয়ের ২০-২৫ শতাংশ পানিতেই খরচ হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় দুই-তিন দিন ধরে ঘোলা পানির সংকট চলছে বলে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন। এলাকায় প্রয়োজন এক কোটি লিটার পানি, কিন্তু উৎপাদন হয় মাত্র ২৭ লাখ লিটার। সংসদ কমিটির বৈঠকে এসব বিষয় ছাড়াও আবাসন বরাদ্দ ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

নওগাঁর পোরশা উপজেলার অনেক নারীকে প্রতিদিন কয়েক বালতি খাওয়ার পানির জন্য মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয়।

এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ টেকনাফ ও কুতুবদিয়া উপকূলীয় অঞ্চলে খাওয়ার পানির তীব্র সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে।

ঢাকা আজ শুধু যানজট, বায়ুদূষণ বা আবাসন–সংকটের শহর নয়, এটি দ্রুত একটি পানিসংকটের শহরে পরিণত হচ্ছে।

বান্দরবানের রোয়াংছড়ির শুকনাছড়ি পাড়ায় সরকারি সাহায্য ছাড়াই সব সেবা নিজেদের উদ্যোগে দিচ্ছে গ্রামবাসী

পানি ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলেছেন, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে খুলনা শহরের পানি সমুদ্রের পানির মতো লবণাক্ত হয়ে যেতে পারে। সুন্দরবনে বড় ধরনের পরিবেশগত পরিবর্তন দেখা দেবে।’

জলবায়ুর অস্থিরতা ও মানুষের অসহায়ত্ব মোকাবিলায় প্রচলিত রাষ্ট্রকেন্দ্রিক ‘পানি কূটনীতি’ ব্যর্থ হয়েছে।

একসময়ের শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরবঙ্গ আজ নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত। মাঠের পর মাঠ আবাদযোগ্য জমি থাকলেও সেখানে প্রাণ দেওয়ার মতো পানি নেই।

বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমে অবনতির দিকে যাচ্ছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর ২৫টি উপজেলা, ৪৭টি ইউনিয়ন এবং ১ হাজার ৫০৩টি মৌজা ‘অতি উচ্চ পানিসংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে দেড় বছর ধরে তিস্তা নদী রক্ষা কমিটির মাধ্যমে বিএনপি নেতা–কর্মী, সমর্থকসহ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন।