তেল নিয়ে আসছে ৬টি জাহাজ, অনিশ্চিত ৫টি
তেল নিয়ে আসছে ৬টি জাহাজ, অনিশ্চিত ৫টি
তেল নিয়ে আসছে ৬টি জাহাজ, অনিশ্চিত ৫টি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি শান গাং ফা জিয়ান’ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এপ্রিলে চার লাখ টন ডিজেলের চাহিদা, এ মাসে দুটি জাহাজ এসেছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ করছে।
সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ৪৬টি কাস্টমস স্টেশন দিয়ে ১৫ কোটি ৮৬ লাখ টন পণ্য আমদানির মধ্যে শীর্ষ ১০ পণ্যই ৯ কোটি ৯৮ লাখ টন। পরিমাণের হিসাবে আমদানি হওয়া প্রতি ১০০ কেজির প্রায় ৬৩ কেজিই এই ১০ পণ্য—যেখানে শিল্পের কাঁচামাল, জ্বালানি ও অবকাঠামো নির্মাণের উপকরণ প্রাধান্য পেয়েছে।
গতকাল চট্টগ্রাম চেম্বারে প্রাক্-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ীরা এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের কাছে বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে করছাড়সহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানো, বেসরকারি শোধনাগার স্থাপন ও ডিজেল নির্ভরতা কমানোর উপর জোর দেন তাঁরা। এনবিআর চেয়ারম্যান রাজস্ব বাড়ানোর জন্য নতুন খাতে ন্যায়সঙ্গত কর আরোপের কথা বলেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারত সফর শেষে মন্তব্য করেছিলেন, ‘নয়াদিল্লি আগামী পাঁচ বছরে জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং কৃষির ওপর জোর দিয়ে ৫০ হাজার কোটি ডলার’ মূল্যের আমেরিকান পণ্য কিনতে ‘প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছে।
ডিজেল কত দেশ থেকে আসে
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম প্রতি লিটারে ৮ টাকা ৭১ পয়সা কমিয়ে ১০০ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। আজ বৃহস্পতিবার রাত থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের ফলে এলএনজি খালাস ব্যাহত হওয়ায় তীব্র হয়েছে গ্যাস সংকট; পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে ১০-১৫ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ৪ দশমিক ৪৪ টাকা কমিয়ে ১০৯ দশমিক ১০ টাকা করা হয়েছে। পরিবর্তনটি ৩০ জুন বিইআরসির সভায় নির্ধারিত হয়।
এলএনজি নিয়ে এক সপ্তাহে আসছে তিন ট্যাংকার
ইরান যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানি আটকে যাওয়ায় উৎপাদনের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।
আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতি-নির্ভরশীলতা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। বিকল্প জৈব জ্বালানি গ্রহণ করা কেবল পরিবেশগত সিদ্ধান্ত নয়, এটি বাংলাদেশের ‘জ্বালানি সার্বভৌমত্ব’ অর্জনের প্রধান হাতিয়ার।