১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা
এপ্রিলে বেসরকারি খাতের এলপিজির ভোক্তাদাম প্রতি কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বেড়েছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এখন ১ হাজার ৭২৮ টাকা, যা গত মাসের তুলনায় ৩৮৭ টাকা বেশি।
এপ্রিলে বেসরকারি খাতের এলপিজির ভোক্তাদাম প্রতি কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বেড়েছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এখন ১ হাজার ৭২৮ টাকা, যা গত মাসের তুলনায় ৩৮৭ টাকা বেশি।
রাজধানীতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে; ডিসেম্বরে নির্ধারিত ১,২৫৩ টাকার ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৫০০-২,১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে।
বেসরকারি খাতের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা হয়েছে। বিআরসি বৃহস্পতিবার এপ্রিল মাসের নতুন দাম ঘোষণা করেছে। গত মাসের তুলনায় ৩৮৭ টাকা বেড়েছে দাম।
দেশে নতুন এলপিজি ব্যবহার মধ্যবিত্তের পকেটে টান ফেলছে। সিলিন্ডারের দাম এখন প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি খরচের কারণে এই জ্বালানির চাহিদা কমছে।
চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা।
লক্ষ্মীপুরে মানা হয়নি সরকার নির্ধারিত দাম, রাতের অন্ধকারে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি
রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার–নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা হলেও ২ হাজার ২০০ টাকা নিচে সিলিন্ডার পাওয়া যায় না।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক ও চালকদের স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম সামান্য বাড়লেই সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়ে দেওয়া হয় ভাড়া। অথচ পরবর্তীতে গ্যাসের দাম কমলেও সেই বাড়তি ভাড়া কমানোর কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশ
বাজারে সোনালি মুরগির দাম ৫২% বেড়ে ৪২০-৪৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনি, সয়াবিন তেল, সবজির দামও চড়েছে। ঈদের পর সাধারণত দাম কমলেও এবার উল্টো চিত্র দেখা দিয়েছে।
এলপিজি ব্যবসায়ীরা সংকটের জন্য সরকারকে দায়ী করলেন। তাঁদের অভিযোগ, বেশি দাম নিচ্ছেন পরিবেশক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।