
যুদ্ধ নাকি শান্তিচুক্তি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কোন পথে হাঁটছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় আজারবাইজানসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে গোপনে সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ ইউনিটের সদস্যদের মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান তার আন্ত–আঞ্চলিক প্রতিরোধকৌশল এবং অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষানীতির এক চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছে।

পাস হওয়া বিলটি উচ্চকক্ষ সিনেটে অনুমোদিত হতে হবে। সিনেট রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে একটি ‘ইসরায়েল বাধা’ টপকাতে হবে।

নিরাপত্তার কারণে অনেক জাহাজ উপসাগরের বিভিন্ন বন্দরে চলে গেছে অথবা উপকূলের কাছাকাছি নোঙর করে আছে।

গাজায় ইসরায়েলের চালানো নৃশংস যুদ্ধের মতো সংঘাতে ব্যবহারের জন্যই দেশটিকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোঁড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রচলিত সম্পর্কের বাইরে বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পৃক্ততা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

‘আপনি পাগল, এখন সবাই আপনাকে ঘৃণা করে’