
সুদ পরিশোধে টাকা লাগবে বেশি, কিন্তু বাজেটে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে কম
আগামী অর্থবছরে সুদ ব্যয়ের বাবদ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগ হিসাব করেছিল, সুদ ব্যয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে।

আগামী অর্থবছরে সুদ ব্যয়ের বাবদ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগ হিসাব করেছিল, সুদ ব্যয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে।

প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের আগে-পরে আমরা যারা অর্থনীতি নিয়ে আগ্রহী, তারা বেশ ব্যস্ত সময়ই পার করে থাকি।

বিবিএসের সাময়িক হিসাবে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ৩ হাজার ২০ ডলার ও জিডিপির আকার ৫০১ বিলিয়ন ডলার।

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি, অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও নীতিগত স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অর্থনীতিবিদদের।

বাংলাদেশকে বলা হয় ক্ষুদ্রঋণের সূতিকাগার বা মাতৃভূমি। গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলো (এনজিও/এমএফআই)।

বেসরকারি খাতে গতি ফেরাতে ব্যাংকঋণ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। তবে সরকারের উচ্চ ঋণ এ ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করতে পারে।

জামায়াত আমির বলেন, জামায়াতের আশঙ্কা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবিধানিক সব জায়গায় নির্লজ্জ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ একেবারেই স্পষ্ট।

ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির সম্প্রসারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। তবে সামাজিক সুরক্ষার প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন এবং স্বচ্ছ বাস্তবায়নের ওপর।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানি ও সারে ভর্তুকি বেড়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য চাপ তৈরি করছে।

বাংলাদেশ কীভাবে এলডিসি উত্তরণ ও বাণিজ্যচুক্তির ফাঁদে পড়েছে, তা নিয়ে লিখেছেন মাহা মির্জা

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি ব্যবসার খরচ কমাতে বাজেটে বেশ কিছু উদ্যোগ থাকতে পারে।