উপাচার্য নিয়োগও কেন আমলাতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগে ‘সার্চ কমিটি’ গঠনের নজির রয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগে ‘সার্চ কমিটি’ গঠনের নজির রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করে ‘ক্যু’ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে। লেখায় পাঁচটি সম্ভাব্য কৌশল বিশ্লেষণ করা হয়েছে—যুদ্ধকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার পথ। আমেরিকান জনগণের সতর্কতাই এর বড় বাধা।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞা এবং জামায়াতের প্রতি সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গণতান্ত্রিক চর্চা ও ভোটের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইরান হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণা দিয়েছে যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে বিজয় বললেও ইরান ‘মহান বিজয়’ দাবি করছে। দুই পক্ষের প্রস্তাবে বড় ফারাক থাকায় আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
সরকারি ঋণ গ্রহণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। ধ্রুপদি থেকে কেইনসীয় তত্ত্ব পর্যন্ত ঋণের ভূমিকা এবং বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। সরকারের নতুন ঋণ পরিকল্পনা এবং ঋণ-জিডিপি অনুপাত নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
৩১ দফা ও ইশতেহারে বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছে; কিন্তু বাতিল করেছে দুই অধ্যাদেশ।
সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী অঙ্গীকার। এর বাস্তবায়নে বন বিভাগ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে, কিন্তু চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি, বিশেষজ্ঞ যোগদান ও সঠিক পরিচর্যা জরুরি। লেখক সরকারের সদিচ্ছাকে স্বাগত জানালেও অতীতের অনিয়মের কথা স্মরণ করিয়েছেন।
সংস্কার প্রক্রিয়া ধীরগতির এবং পরিকল্পিত হওয়া উচিত। বিএনপির অবস্থান, অধ্যাদেশ বিতর্ক ও গুম-দুর্নীতির মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য পরিষ্কার কর্মপরিকল্পনা দরকার।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, যার পিছনে পাকিস্তানের অবিরাম মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগ কীভাবে এই অগ্রগতি এনেছে, তা বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পাকিস্তানের বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন, শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী খোলার। কিন্তু বিশ্বাসের অভাবে এটি টিকবে কি না সন্দেহজনক। সংঘাতের মূল কারণগুলো এখনো অমীমাংসিত।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে পেশ হতে যাচ্ছে। স্পষ্ট দর্শন, জনকল্যাণমুখী নীতি ও সামষ্টিক ভারসাম্যের ওপর জোর দিয়ে বাজেট গড়ে উঠুক। শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জোরালো।
নেতানিয়াহুর চেঙ্গিস খানের মতো আগ্রাসী নীতি ইসরায়েলের রাজনীতিতে প্রতিফলিত হচ্ছে, যা জেরুজালেমের পবিত্র স্থানে ক্যাথলিক প্যাট্রিয়ার্ককে আটকানো থেকে গাজার ধ্বংস পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এই দম্ভ শেষ পর্যন্ত নৈতিক পরাজয়ই নিয়ে আসবে বলে মত প্রকাশ করেছেন লেখক। ঐতিহাসিক তুলনা করে তাঁরা সতর্ক করেছেন এই পথের পরিণতি।