তিতাসের সরবরাহ শুরু, গ্যাসের প্রবাহ বাড়তে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে
গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় চুলাই জ্বলছে না।
গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় চুলাই জ্বলছে না।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যমুনা নদীর ভাঙনে দুই শতাধিক বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও ২ হাজার বিঘা আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।
বগুড়ায় বাসচাপায় সাত দিনমজুর নিহত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।
মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ইতিহাস সংরক্ষণে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা স্পিডবোট ঘাট থেকে দুটি স্পিডবোটের ইঞ্জিন লুটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়দের ধারণা। ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন, শিবালয় থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক উজ্জ্বল ফকির এবং মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বুলব
জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতসহ সমন্বিত উদ্যোগ নিতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি ধানমন্ডি-গুলশান লেক সংস্কার, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন—এসব বিষয়ে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রাজবাড়ীতে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
২০০৫ সালের ১১ এপ্রিল সাভারের স্পেকট্রাম সোয়েটার ইন্ডাস্ট্রিজের নয়তলা ভবন ধসে ৬৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। আহত শ্রমিকদের স্মৃতিকথা ও দায়ীদের বিচারের দাবিতে আশুলিয়ায় মানববন্ধন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা এখনো ন্যায়বিচার ও সাহায্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ মাঠে গমের নাড়া পোড়াতে গিয়ে প্রায় ১০০ বিঘা জমির পাকা গম আগুনে পুড়ে যায়। স্থানীয় কৃষকেরা বালতিতে পানি নিয়ে চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি সহায়তার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বন্ধের দিনের আগুনে অন্তত ২৬টি দোকান ও ১০টি বসতঘর পুড়ে গেছে। ঘরবাড়ির নানা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সঙ্গে পুড়েছে শিক্ষার্থীদের নতুন বই, খাতা, স্কুলব্যাগও। পুড়ে ছাই হয়েছে ২৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন আর আশা-আকাঙ্ক্ষা। আর আগুনে অনেক দোকানি ও পরিবার প্রায় নিঃস্ব হওয়ার পথে। সামনের দিনগুলো কীভাবে পার করবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তা।