
ডিজেল কার্ড কেন খাদ্যনিরাপত্তার সমাধান
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অভিঘাতে বিশ্বের উত্তাল তেলবাজারের ঢেউ এখন বাংলাদেশের কৃষকের বোরো খেতে এসে পড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অভিঘাতে বিশ্বের উত্তাল তেলবাজারের ঢেউ এখন বাংলাদেশের কৃষকের বোরো খেতে এসে পড়েছে।

ঢাকার একটি পোশাক কারখানার মালিক গত বছর হিসাব কষে দেখলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল তাঁর উৎপাদন ব্যয়ের প্রায় ২২ শতাংশ।

ভোট আবহে কলকাতা এলাম। এমন টান টান, এ রকম ‘কী হয় কী হয়’ নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে আগে হয়নি। সম্ভাব্য ফল ঘিরে এমন সাসপেন্স, চৈত্র মাসের দ্বিপ্রাহরিক তাপপ্রবাহের মতো তপ্ত সমাজ এবং যুযুধান দুই প্রধান শিবিরের মধ্যে ঘৃণামিশ্রিত এত প্রবল রেষারেষি বঙ্গসমাজ অতীতে দেখেনি।

পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস জানিয়েছে, প্রম্পটের ফলাফল প্রমাণ করে, ওপেনএআইয়ের বড় ভাষার মডেল (এলএলএম) লেখক সাইজনারের কাজ অবৈধভাবে ‘মেমোরাইজ’ করেছে।

সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠ আয়োজিত ‘জলবায়ুজনিত প্রভাবের অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি’–বিষয়ক একটি গোলটেবিল আলোচনায় শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আবদুল বারেক

বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এই দিবসে শামিল হচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু আমাদের একটি রূঢ় সত্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমি প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছি।

জাপানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন নিয়ে লেখক তুলে ধরেছেন প্রবাসজীবনের নানা দিক। প্রবাসে থাকতে গিয়ে যেভাবে মাতৃভূমির স্মৃতি ও সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে ওঠে, তা গভীরভাবে ব্যক্ত করেছেন।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাঙ্গনে ছাত্র ও শিক্ষকরাজনীতির গুরুত্ব যেন পাঠ্যপুস্তকের গুরুত্বের চেয়ে অনেকটাই বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি কেবল সহানুভূতি দেখানোই যথেষ্ট নয়, তাঁদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের রাষ্ট্রীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। আর এই অধিকারের প্রথম ধাপ হলো সঠিক শনাক্তকরণ। দায়সারা গোছের ডায়াগনসিস দিয়ে আমরা শুধু একটি ভুল পরিসংখ্যানই তৈরি করছি না; বরং হাজার হাজার শিশুর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। সেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ আমরা এমন এক সময় পার করছি, যখন নির্মমতা আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এটি দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। একজন ৩৫ বা ৪০ বছর বয়সী শিক্ষক, যাঁর শিশুদের জ্ঞানের আলো দেওয়ার কথা, তিনি সাত-আট বছরের ছাত্রদের বেদম মার মারছেন। এমনভাবে মারছেন যেন শিশুর শরীর তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি।