
ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে ওয়াশিংটন: মার্কিন গণমাধ্যমের খবর
ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

কাতার ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার কথা ভাবছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে।

যুদ্ধের আঁচ শুধু আল-হাবতুরের আরব আমিরাতে নয়, আশপাশের দেশগুলোয়ও ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তাঁদের সবার রাজত্ব ধসে যেতে পারে।

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা যেতে পারে। এ ঘটনা এমন এক বিশ্বে মার্কিন শক্তির সীমাবদ্ধতাকে প্রকাশ করে দিয়েছে, যেখানে কোনো দেশই আর যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা নেতৃত্ব মেনে নিতে রাজি নয়।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে জটিল পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধ জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না।

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ভুগছে বিশ্বের দরিদ্র মানুষেরা।

যে দেশগুলো ইতিমধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা বিকল্প শক্তির পথে হাঁটা শুরু করেছে, তারা তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকবে।

ইরান যুদ্ধকে ‘পাগলামি’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পডকাস্ট সঞ্চালক জো রোগান।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।

ইরাক থেকে লিবিয়া, ভেনেজুয়েলা থেকে ইউক্রেন এবং এখন ইরানের উদাহরণ থেকে একটি সত্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে একবিংশ শতাব্দীতে সার্বভৌমত্ব আর নিঃশর্ত নয়। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সার্বভৌমত্বের সীমা এবং ছোট রাষ্ট্রগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে লিখেছেন গোলাম রসুল

যুদ্ধের বাড়তি খরচ মেটাতে হোয়াইট হাউস দ্রুতই কংগ্রেসে তহবিলের আবেদন করতে পারে।