১০ গোলের আনন্দে এমবাপ্পের রেকর্ড, সাকার হ্যাটট্রিক
মায়ামিতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল উৎসব করেছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
মায়ামিতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল উৎসব করেছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের খাতা মূল্যায়নের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা সাংহাই ডিজনিল্যান্ডে আনন্দভ্রমণ করেছেন।
আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার আনন্দে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। কেউ দিয়েছেন আবেগঘন স্ট্যাটাস, কেউ মেতেছেন খুনসুটিতে।
নেত্রকোনায় আর্জেন্টিনার জয়ের পর আনন্দমিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
চিত্রনাট্য লেখা থেকে শুরু করে প্রস্তুতি, শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে সময় কাটানো, শুটিং—পুরো সময়টাই আমার কাছে আনন্দের। ছয়, আট বা দশ মাস— এ সময়ই শেষ পর্যন্ত স্মৃতি হয়ে আমার সঙ্গে থাকে।
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে চারটি নতুন বই। খেলাধুলা, বাংলাদেশের সংস্কৃতি, আমার কারিগরি শিক্ষা এবং আনন্দময় শিখনসহ বিষয়ভিত্তিক কাঠামো খসড়া করেছে এনসিটিবি; দু-তিন দিনের মধ্যে কাঠামো চূড়ান্তের কথা রয়েছে।
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণার পরপরই বিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের আমেজ তৈরি হয়। পরে বিদ্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। এ বছর ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশে তরুণ-তরুণীদের মতামত ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
আজ শুক্রবার আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। সকালে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে।
এই নিয়ে হাহুতাশ না করে কীভাবে আনন্দমুখর পরিবেশে জলাবদ্ধতা উদযাপন করা যায় এবং একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কীভাবে এই নিয়ে ব্যবসা করে দেশের জিডিপি বাড়ানো যায়, তা নিয়েই ভেবেছেন+এঁকেছেন আনিকা নাওয়ার
ক্যামেরুনের পক্ষে ডেভিড এম্বে গোল দিয়েছেন। আব্বা পান চিবুতে চিবুতে প্রবল উত্তেজনায় মাথা ঝাঁকিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে মাথা জোরে টান দিয়ে চিৎকার করে বললেন, ‘গোওওওওওও।’ আব্বার মুখ থেকে পুরো ঘরে ফোয়ারার মতো পানের তুষ ছড়িয়ে পড়ল। আব্বার তুমুল আনন্দে আমাদের খেলা দেখা সহজ হয়ে গেল। আমরা সবাই একসঙ্গে গলা ছেড়ে চেঁচিয়ে উঠলাম, ‘গোওওওওওওল।’
আমরা এমন একটি প্রজন্ম চাই, যারা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করবে না; বরং তারা হবে মানবিক, নান্দনিক, আধুনিক ও আত্মবিশ্বাসী। পূর্ণরূপে বিকশিত আর আনন্দিত শৈশবই পারে আগামী দিনের সহনশীল, মানবিক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে। আমরা সেই প্রজন্মের পথ চেয়ে আছি। তাই চিত্র, গীতি, সুর ও ছন্দে বিকশিত হোক আমাদের প্রতিটি শিশুর শৈশব।