তোমার ঘ্রাণে
ছাতার শহর, রাতের প্রহর, তোমার কেনা মিথ্যে শোকে ঘ্রাণ মিশে যায় গায়ে গায়ে যেমন চেনা অন্য লোকের মিলিয়ে গেছে, যায়নি পাওয়া তোমার গায়ের সমস্ত ঘ্রাণ একটা শহর ব্যস্ত তখন হারিয়ে যাওয়ার খুব অভিমান।
ছাতার শহর, রাতের প্রহর, তোমার কেনা মিথ্যে শোকে ঘ্রাণ মিশে যায় গায়ে গায়ে যেমন চেনা অন্য লোকের মিলিয়ে গেছে, যায়নি পাওয়া তোমার গায়ের সমস্ত ঘ্রাণ একটা শহর ব্যস্ত তখন হারিয়ে যাওয়ার খুব অভিমান।
মশিউল আলমের ‘বিলয়’ গল্পটি ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর মুক্তকণ্ঠ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছিল। এত দিন শুধু কাগুজে সংস্করণে থাকা গল্পটি আজ অন্য আলোর অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।
একদিকে ধনকুবেরের বিলাসী জীবন, অন্যদিকে চে গুয়েভারার বিপ্লবের স্বপ্ন সাকার করার আকাঙ্ক্ষা। এক হাতে বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দেওয়া বইয়ের পাণ্ডুলিপি, অন্য হাতে ‘অস্ত্র’। গত শতকের ইউরোপীয় ইতিহাসে জিয়ানজিয়াকোমো ফেলত্রিনেল্লির (Giangiacomo Feltrinelli) চেয়ে রহস্যময় ও বৈপরীত্যে ভরা চরিত্র কি আছে?
নৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের কারণেও, কেউ কেউ শহীদুল জহিরের লেখ্যশিল্পকর্মের প্রাপ্য মান্যতা দিতে নারাজ। অথচ, সময়ের অগ্রসর পাঠক ক্রমশ শহীদুল জহিরের আখ্যানে বুঁদ হয়ে উঠছেন। অনূদিত শহীদুল জহির বহির্বিশ্বের অন্য ভাষার পাঠকের মুখোমুখি ছড়িয়ে পড়ছেন তাঁর রচনার শক্তিতেই। বাংলা ভাষায় শহীদুল জহিরের চেয়ে শক্তিশালী লেখক এই মুহূর্তে হাজির করতে পারবে কেউ বা হরেদরে গল্প-উপন্যাস লিখিয়েরাও কেউ কি শহীদুল জহিরের মতো গদ্যভাষাকে নিজের আয়ত্বে এনে ব্যবহার করতে পারার ক্ষমতায় পৌঁছেছেন? পারলে এটা পেরেই দেখাতে হবে। বয়ানের মহাজনী ও যুগপত ফাঁপা বাগাড়ম্বর নয়, এটা করে দেখাবার, লিখে দেখাবার প্রশ্ন। বাংলা ভাষায়, সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহির—এই বাক্যকে অস্বীকার করবেন, এমন কী আছে কার ঝুলিতে?
শাহাদুজ্জামানের গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠ অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো অন্য আলোর অনলাইন পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।
নর্ডিক দেশগুলো কবিতার মতো। মাথায় তাদের অরোরার মুকুট। শরীরটা রুপালি বার্চগাছের। পায়ের কাছে ফিওর্ডের জল। বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে ঢাকা এই দেশগুলোর কবিতা তাই এক অদ্ভুত প্রশান্ত রূপের প্রতিচ্ছবি। এইসব দেশের কবিরা অনুপ্রেরণা পান প্রকৃতি থেকে—পান শক্তি ঘন বন, নীল হ্রদ, আর অরোরার নেচে নেচে যাওয়া আলো থেকে। তাঁদের কবিতায় জীবনের প্যাস্টেল রঙের ফুল ফোটে—হালকা নীল-বেগুনি-গোলাপি-সাদা।
ছবি আঁকাকে তিনি মেনে নিয়েছিলেন ‘বিপ্লবের হাতিয়ার’ হিসেবে। তাঁর অটোগ্রাফের খাতায় কমিউনিস্ট নেতা ভবানী সেন লিখলেন, ‘আর্টিস্টের কাজ হলো শোষিত জনগণের ভাব ও দুঃখ-দুর্দশাকে চিত্রের ভেতর দিয়ে এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা, যাতে সমাজে সে আর্ট নব জীবন সৃষ্টি করতে পারে।’ এর পর থেকেই বদলে যাওয়া শুরু করল মুর্তজা বশীরের জীবন।
উদয় রহমানের গল্প ‘কেক’
অবনি অনার্যের রচিত ‘প্রতিপলক’ কবিতার একটি সংকলন।
কুদরত-ই-গুলের কবিতা ‘অনিবন্ধিত বৃষ্টি’
পিয়াস মজিদের ‘অযাপিত’ কবিতার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে আধুনিক জীবনের একঘেয়েমি এবং যাপনের করুণ বাস্তবতা।
জুয়েল মাজহারের কবিতা ‘সমুদ্রখাঁড়ির পাশে’