
রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় বেঁচে ফিরলেও পদ্মায় বাসডুবিতে প্রাণ হারালেন নাসিমা
২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাস ডুবে নাসিমা বেগমের মৃত্যু হয়। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তাঁর নিজ পার্বতীপুরের আটরাই গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাস ডুবে নাসিমা বেগমের মৃত্যু হয়। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তাঁর নিজ পার্বতীপুরের আটরাই গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

ভাষাসৈনিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আমেনা আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় দ্রুতগতির একটি বাস একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেছে। এতে মোটরসাইকেলের আরোহী আবদুল আজিজ (৬২) নিহত হয়েছেন।

সংগীতের ক্ষেত্রে মাহবুবা আপা সব ধরনের গানই মোটামুটি ভালো গাইতেন। কারণ, ভালো শিল্পীরা সাধারণত সব ধারার গানেই পারদর্শী হন। তবে আমার স্মৃতিতে তাঁর কণ্ঠের লোকসংগীত বা ‘ফোক’ ধাঁচের গানগুলোই বেশি উজ্জ্বল হয়ে আছে।

কালিহাতীর ধলাটেংগর এলাকায় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস থেমেছিল। এ সময় ওই বাসের কয়েকজন যাত্রী সেখানে বাস থেকে নেমে মহাসড়কের পাশেই রেল লাইনে বসেছিলেন।

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর সংগীতশিল্পী মাহবুবা রহমানকে। বাদ জুমা মগবাজার ওয়্যারলেস জামে মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বাসডুবির ঘটনায় প্রাণ হারানো কুষ্টিয়ার আয়েশা সিদ্দীকার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারের সামনে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।

তিন ভাই ও এক বোনের পরিবারে সাহেদ আশরাফ (৭) ছিল সবার ছোট। তাই ছিল সবার আদরের। একসঙ্গে হাসাহাসি, খুনসুটি সবই করত সে। তবে সেই আশরাফ আর নেই। দুর্ঘটনায় মা, বাবা ও বোনের সঙ্গেই মৃত্যু হয়েছে তার। আজ শুক্রবার পাশাপাশি কবরে তাদের সবার দাফন হয়েছে।

সকাল সাতটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে সুধীর বিশ্বাসের মৃত্যু ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবিতে নিহত নবদম্পতি কাজী সাঈফ আহমেদ সৌম্য (৩০) ও তাঁর স্ত্রী জহুরা অন্তিকে (২৭) রাজবাড়ীতে একসঙ্গে দাফন করা হয়েছে।

মৃত্যুর মিছিল আমরা সড়কে দেখছি, রেলে দেখছি, নৌপথেও দেখছি, অর্থাৎ পুরো পরিবহন খাতে শত শত ঝুঁকি। এ অবস্থায় হতাহতের সংখ্যা কমবে না।