ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আরও দুই প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আরও দুই প্রার্থীর করা পৃথক নির্বাচনী আবেদন শুনবেন হাইকোর্ট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আরও দুই প্রার্থীর করা পৃথক নির্বাচনী আবেদন শুনবেন হাইকোর্ট।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ভবন অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) এই বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলামকে নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার এবং হোয়াটসঅ্যাপে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে করা মামলায় এ এম হাসান নাসিম জামিন পেয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হওয়া সাবিরা সুলতানা সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন খ্রিষ্টান ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেত্রী আন্না মিনজ।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম তুলেছিলেন সংগীতশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। তবে মনোনয়ন পাননি তিনি।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথে যাত্রার একটি সম্ভাবনা হিসেবে দেখা যেতে পারে।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার দায়িত্ব পালনে ওয়াদা লঙ্ঘন করেছে এবং জনগণের অধিকার কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করবেন। ‘আমাদের লড়াই চলবে, আমরা থামব না’—তিনি জানিয়েছেন। শেরপুর-৩ নির্বাচনে আহত জামায়াত নেতার খোঁজ নিয়ে ময়মনসিংহে এসে এ কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বগুড়া–৬ ও শেরপুর–৩ উপনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচন ও নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিরপেক্ষ হয় না বলে দাবি করেন। জামায়াত নেতাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারসহ বিএনপির প্রতি সতর্কবাণীও দেন।
আজ শুক্রবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে এক বিবৃতিতে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির রেজাউল করিম ৭৬ হাজার ৭৭২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৬ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়েছেন। দুই আসনেই জামায়াত অভিযোগ তুলেছে এবং ভোট বর্জন করেছে।
জাতীয় সংসদে জামুকা অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরিত হয়েছে, যাতে মুক্তিযুদ্ধকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জামায়াত আমির শফিকুর রহমান তীব্র আপত্তি জানান, যখন এনসিপি সমর্থন দিয়েছে। বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।