
সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী
আইনের শাসন মেনে রাষ্ট্র পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আইনের শাসন মেনে রাষ্ট্র পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জোনায়েদ সাকির তিন দশকের বেশি সময়ের নিরবচ্ছিন্ন রাজনৈতিক যাত্রা মন্ত্রিসভায় পৌঁছাল। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নতুন সরকারে ঠাঁই করে নিয়েছেন তিনি। এর আগে বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য হন গণসংহতি আন্দোলনের এই নেতা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্পষ্ট ও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আন্তরিক অভিনন্দন।

চার দশক আগে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তার ১৫ বছর পর খালেদা জিয়ার সরকারে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন, এবার তারেক রহমানের সরকারেও মন্ত্রী হলেন তিনি।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যের গড় বয়স প্রায় ৬০ বছর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী হলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তাঁর বয়স ৮১ বছর। সবচেয়ে কম বয়সী সদস্য নুরুল হক নুরের বয়স ৩১ বছর।

প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রী হলেন দীপেন দেওয়ান। তাঁর বাবা সুবিমল দেওয়ান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ৪১ জনই নতুন

তথ্য অধিদপ্তরের বিবরণীতে বলা হয়, সন্ধ্যা ৭টায় বিটিভিসহ সক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে এই ভাষণ প্রচারিত হবে।

তারেক রহমানের সামনে ‘স্টেটসম্যান’ হওয়ার সুযোগ এসেছে। সেটা কি তিনি সরকারপ্রধান হিসেবে হবেন, নাকি দলীয় প্রধান হিসেবে হবেন, নাকি সব ভূমিকা একত্র করে হবেন, সেটাই দেখার বিষয়। যেটাই ঘটুক আর যে ভূমিকাতেই তিনি থাকুন না কেন, পরিকল্পনার ভরকেন্দ্র তাঁর দিকেই ঝুঁকে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। পরে রাতে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।