ঢাকা উত্তরে ময়লা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ বিএনপির হাতে
ঢাকা উত্তর সিটিতে ময়লার বিল নিয়ে অসংগতি দেখা দিয়েছে। আওয়ামী লীগের আমল থেকে এখন বিএনপির নেতা-কর্মীরা ময়লা সংগ্রহের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। সিটি করপোরেশনের নির্দেশনা সত্ত্বেও বিলের পরিমাণ নিয়মমাফিক নয়।
ঢাকা উত্তর সিটিতে ময়লার বিল নিয়ে অসংগতি দেখা দিয়েছে। আওয়ামী লীগের আমল থেকে এখন বিএনপির নেতা-কর্মীরা ময়লা সংগ্রহের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। সিটি করপোরেশনের নির্দেশনা সত্ত্বেও বিলের পরিমাণ নিয়মমাফিক নয়।
বাসাবাড়ির ময়লা সংগ্রহের বিল একেক এলাকায় একেক রকমের। যে যেভাবে পারছে, সেভাবেই বিল আদায় করছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, এমপিরা চাঁদাবাজির আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে তা বন্ধ করা অসম্ভব। শাহ আলী পাইকারি কাঁচাবাজার পরিদর্শনকালে তিনি বাজার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির সমস্যা তুলে ধরেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শুনে তাঁরা সত্য কথা বললে পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন।
প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ে জোর। নতুন তিন থানা অনুমোদনের অপেক্ষায়। বসানো হচ্ছে সিসি ক্যামেরা। বিশেষ অভিযানও চলছে।
ঢাকায় চাঁদাবাজির পেছনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ। পুলিশের তালিকায় প্রায় ১৪৮ জনের নাম। ফুটপাত থেকে বস্তি পর্যন্ত বিস্তৃত এই নেটওয়ার্ক ভয়ংকর চিত্র তুলে ধরে।
ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করার নির্দেশ দিয়েছেন। এপ্রিল মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ঈদুল আজহার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় পর্বে উঠে এল পুরান ঢাকা, পল্টন, খিলক্ষেত, যাত্রাবাড়ী, মহাখালী, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকার চাঁদাবাজির চিত্র।
গুলিতে আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইউনুস। তাঁকে মৃত ভেবে চলে যাওয়ার সময় অস্ত্রধারীদের একজন বলতে থাকেন, ‘সাজ্জাদ ভাইয়ের কথা ভালো লাগে নাই, এবার কবরে যা।’
দুর্নীতির অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) ওবায়দুল ইসলামকে আজ সোমবার দুপুরে এক দল শিক্ষার্থী অবরুদ্ধ করে রাখেন।
রাজধানীর আদাবরে অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার পলাতক সন্ত্রাসী ‘ভাইস্তা বিল্লাল’কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা কারামুক্ত হয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির জন্য খুনোখুনি ও গোলাগুলিতে জড়ান।
মিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম আজমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।