
ইসলামের ‘সাত আসমান’
একটি সাধারণ প্রশ্ন প্রায়ই উত্থাপিত হয়—সাত আসমান বলতে আসলে কী বোঝানো হয়েছে? এগুলো কি আমাদের বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর, নাকি এর বিস্তার দৃশ্যমান মহাবিশ্বেরও বাইরে?

একটি সাধারণ প্রশ্ন প্রায়ই উত্থাপিত হয়—সাত আসমান বলতে আসলে কী বোঝানো হয়েছে? এগুলো কি আমাদের বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর, নাকি এর বিস্তার দৃশ্যমান মহাবিশ্বেরও বাইরে?

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, মানুষ বিনা মূল্যে পাওয়া এই নেয়ামতগুলোকে অনেক সময় গুরুত্বহীন মনে করে এবং সেগুলোর যথেচ্ছ অপব্যবহার করে। অনেকে চোখ দিয়ে নিষিদ্ধ বস্তু দেখে।

কোরআনের তাফসিরের ক্ষেত্রে ভিত্তিহীন বর্ণনার ব্যাপারে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যে বর্ণনা একজন নবীর চারিত্রিক পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে, তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

মুমিনরা কেবল সেই বিজয়ের আমানতদার বা প্রহরী মাত্র। আল্লাহ ইসলামের খেদমতের জন্য কাউকে নির্বাচন করেন, এটি সেই বান্দার জন্য এক মহা সম্মান।

আমাদের কাজ হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং যখনই মন অস্থির হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমি তো এখানে স্থায়ী নই, আমি তো কেবলই একজন মুসাফির।’

নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।