যোগেন মণ্ডলের বহুজনবাদী রাজনীতির পরিণতি ও প্রাসঙ্গিকতা
বাংলার নিম্নবর্গের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে যোগেন মণ্ডল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি, যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানে চূড়ান্ত বিচারে হেরেছিলেন গান্ধী ও জিন্নাহ।
বাংলার নিম্নবর্গের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে যোগেন মণ্ডল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি, যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানে চূড়ান্ত বিচারে হেরেছিলেন গান্ধী ও জিন্নাহ।
মাইকেল তাঁর মহাকাব্যে জীবন থেকে চরিত্র না নিয়ে বরং চরিত্রদের জীবন দান করে বিশ্বস্তভাবে অটল থাকেন হিন্দু পুরাণের জগতে।
‘বোর্হেসের অপ্রকাশিত বা অগ্রন্থিত’ শীর্ষক গ্রন্থগুলোয় যেসব রচনা আছে তার কোনোটিতেই রবীন্দ্রনাথ বিষয়ক এই বক্তৃতাটি নেই।
লেনিন কেন দার্শনিকদের তালিকায় অনুপস্থিত, যদিও দর্শনচর্চা ও রাষ্ট্রচিন্তায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য?
চৈনিক লেখক লু সুনের (১৮৮১–১৯৩৬) নাম সুবিদিত। ‘শুঁড়িখানায়’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালের ২৫ মে সাংহাইয়ের ‘দ্য শর্ট স্টোরি ম্যাগাজিন’ নামের একটি সাময়িক পত্রিকায়। এই গল্পের আদি থেকে অন্ত পুরোটা লেখক স্বয়ং হাজির; আর আছেন তাঁর এক পুরোনো বন্ধু, গল্পে যার নাম উই-ফু।
আক্কা মহাদেবী যে রাজকীয় বস্ত্র ও অলংকার ত্যাগ করে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে যান এবং তাঁর দীর্ঘ কেশই ছিল একমাত্র আবরণ; এ নগ্নতা ছিল জাগতিক মোহ, সামাজিক লজ্জা ও পুরুষতান্ত্রিক কর্তৃত্ব থেকে মুক্তির শক্তিশালী প্রতীক। তাঁর এ পথ ছিল প্রচলিত সামাজিক ও ধার্মিক কাঠামোর প্রতি এক চ্যালেঞ্জ। তিনি ভিক্ষার অন্নে জীবন ধারণ করতেন এবং ভাঙা মন্দিরে রাত কাটাতেন। এভাবে তিনি ইন্দ্রিয়তৃপ্তি ও বৈষয়িক বন্ধন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতেন।
সেদিন আমি চিকেন টিক্কা-তন্দুরি কিনতে গেছিলাম, নাকি চিকেন ঝাল ফ্রাই আর পরোটা, তাতে কিছুই যায় আসে না। আসল কথা হলো, রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমি কী শুনেছিলাম।
ফ্রান্সের নাৎসি দখল থেকে মুক্তির উৎসবে লুকিয়ে ছিল ‘বন্য শুদ্ধি’—জনতার হাতে সহযোগী নারীদের প্রকাশ্য অপমান। রবার্ট কাপার ‘দ্য শেভড ওম্যান ইন শার্ত্র’ ছবি এই উন্মত্ত প্রতিশোধের ভয়াবহতা ধরে রেখেছে। এটি যুদ্ধোত্তর মানসিকতার গভীর দলিল।
ইফ্ফাত আরা দেওয়ানের ১৯৯৭ সালের ‘অপরাজিতা’ চিত্রকে কেন্দ্র করে শিল্পাঙ্গনের আয়োজনে গ্যালারি দ্য ইলিউশনসে চলছে প্রদর্শনী। ১৯৯৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অঙ্কিত শিল্পকর্মগুলোতে সরলতা, শূন্যতা ও অন্তর্মুখী অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেছে। প্রদর্শনী ১ মে থেকে ১৬ মে ২০২৬ পর্যন্ত খোলা।
সিসিফাসগুচ্ছ কবিতায় আপেলের গড়িয়ে পড়া, ভাঙনের ভয়, গান ভাঙা, মানুষের ভেঙে যাওয়া এবং চোরাবালির চুম্বনের চিত্র ফুটে ওঠে। প্রতীক পুড়িয়ে নিছক কাগজ ভাবার মধ্য দিয়ে জন্মভূমির প্রতি এক অস্পষ্ট অনুরণন ঘুরে বেড়ায়। এটি ভাঙন, রূপান্তর ও অলীকতার গভীর অনুভূতির সমষ্টি।
কাজেই আমরা বেলা তারের ছবির পরিস্থিতিটাকে বদলে ফেলে নিৎশের তুরিন নাটক নিয়ে ভাবতে পারি। ধরা যাক, মানুষের জীবনে ছবির ওই নিরবচ্ছিন্ন তুষারঝড় নেই, কুয়ার পানি শুকিয়ে যায়নি, আলো নেভেনি কিংবা লন্ঠনের তেলও শেষ হয়ে যায়নি।
যেদিন আমরা কাপ জিতলাম, আমার মনে আছে, সে রাতে আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, আমার প্রেমিকার সঙ্গে ও তার বিরুদ্ধে যে খেলাটা খেলছি সেটা ক্লান্তিকর অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে, খেলাটায় আমরা এরই মধ্যে হেরে গেছি।