
বিশ্বকাপের আগে নতুন ঝামেলায় আইসিসি, ক্রিকেটারদের সংগঠনের সঙ্গে সংঘাত
গত ১৫ জানুয়ারি খেলোয়াড়দের পাঠানো এক মেমোতে ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মোফাট আটটি ক্ষেত্রে অসংগতির কথা তুলে ধরেন।

গত ১৫ জানুয়ারি খেলোয়াড়দের পাঠানো এক মেমোতে ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মোফাট আটটি ক্ষেত্রে অসংগতির কথা তুলে ধরেন।

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার।

ভারত আর চীনের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা আর স্বার্থরক্ষার নামে আরও বেশি আগ্রাসী হবে না, এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। নতুন বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন আসিফ বিন আলী

‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।

বিজেপি নেতা শুভেন্দু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর পদত্যাগ দাবি করেন। তিনি বলেন, ওই বেআইনি গুদামে ব্যবসা করার জন্য দমকল বিভাগের কোনো অনুমতি ছিল না।

শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ খেলা ক্রিকেটার ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে আছেন পাকিস্তান ও ভারতের বংশোদ্ভূত দুই খেলোয়াড়।

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের একদল নেতা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় মুসলিম ও খ্রিষ্টান সমাজের বিরুদ্ধে ‘অকথ্য ভাষায় লিখিত বিদ্বেষপূর্ণ ও ইতিহাস বিকৃত করা পুস্তকাবলি’ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেছেন, তাঁর কাজ হলো ‘বাংলাভাষী মুসলমানদের কষ্ট দেওয়া’।

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বারামতিতে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারসহ যে পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের একজন হচ্ছেন ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর।

এই অস্থির ও ভঙ্গুর সময়ে মহাত্মা গান্ধীর প্রাসঙ্গিকতা আরও গভীরভাবে অনুভূত হয়। তাঁর আদর্শ–দর্শন আমাদের ন্যায্যতা, সহিষ্ণুতা ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবীর পথে পরিচালিত করতে পারে।

বাংলার নিম্নবর্গের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে যোগেন মণ্ডল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি, যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানে চূড়ান্ত বিচারে হেরেছিলেন গান্ধী ও জিন্নাহ।