যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় ‘মধ্যস্থতা’ করতে তেহরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে তেহরানে গেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে তেহরানে গেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।
২০২৬ বিশ্বকাপের মাত্র চার সপ্তাহ বাকি থাকলেও ইরানের ফুটবল দল এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পায়নি। ফেডারেশন প্রধান মেহেদি তাজ ফিফার সঙ্গে চূড়ান্ত বৈঠকের কথা জানান। এদিকে তেহরানে দলের বিদায়ী অনুষ্ঠান হয়েছে।
ইরান শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় আটকে থাকা সামনে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য ছাড়াও সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। চীনকে তেহরানের ওপর প্রভাব খাটাতে বলতে পারেন ট্রাম্প।
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ চলাকালীন ইরাক ও পাকিস্তান জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে তথ্য দিয়েছে। ইরাকের দুটি তেলবাহী জাহাজ গত রোববার প্রণালী অতিক্রম করেছে।
ট্রাম্প ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করায় তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এর গুরুত্ব দেননি। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু যুদ্ধবিরতি এখনো স্থায়ী হয়নি।
ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।
শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে ইরানের নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদিকে জামিন দেওয়া হয়েছে এবং তেহরানের পারস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে সাত বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরিবার ও আইনজীবী তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে বৈঠক করেছেন। ইরানের শান্তি প্রস্তাবের জবাবের অপেক্ষায় এই বৈঠক হয়েছে। কাতার ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ইসলামাবাদে প্রথম বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা রয়েছে অনিশ্চয়তায়। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের একের পর এক অপরিপক্ব ও অগোছালো বক্তব্য এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের পাল্টা হামলার ধকল সইতে হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ তেহরানের ওপর নির্ভরশীল। ইরান হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখলে আলোচনা এগোবে বলে আশা করা হচ্ছে। না হলে আলোচনার ধরন বদলাতে পারে।