যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে পরবর্তী পদক্ষেপ এখন তেহরানের হাতে নির্ভরশীল।
গতকাল সোমবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স এসব কথা বলেন। আরও আলোচনা হবে কি না—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন ‘বল ইরানের কোর্টে’। অর্থাৎ আলোচনার অগ্রগতি অনেকাংশে ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।
ব্রেট বেয়ারকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে ইরান হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে অগ্রগতি দেখাবে। তবে তেহরান এগিয়ে না এলে আলোচনার ধরন বদলে যেতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত শুরু হয়েছে। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ফলে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অস্থিরতা দেখা দেয়।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি প্রশমনের জন্য পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেয়। দুই পক্ষের পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগের পর ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি বৈঠকের আয়োজন হয়। কিন্তু সেই বৈঠক শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।
সংঘাত নিরসনে অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার এই বার্তা দেন ভ্যান্স। সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে ইরানের বর্তমান সরকার ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ চালাচ্ছে। সেই সঙ্গে ইরানের প্রতি ‘নমনীয় হওয়ার’ আহ্বান জানান তিনি।
জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখিয়ে দিয়েছেন, এ খেলায় দুপক্ষই অংশ নিতে পারে। যদি ইরানিরা অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকে, তবে যুক্তরাষ্ট্রও এ নীতি মেনে চলবে যে, কোনো ইরানি জাহাজ দেশ ছাড়তে পারবে না।’






