বিজেপির হিন্দুত্ববাদ মোকাবিলায় মমতা কোথায় ভুল করলেন
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের এবং বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হার নিয়ে শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারত নয়, বিশ্বের পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হলো, বিশ্লেষণ হলো।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের এবং বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হার নিয়ে শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারত নয়, বিশ্বের পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হলো, বিশ্লেষণ হলো।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে প্রথম জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭ আসন জিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, অর্থনৈতিক ব্যর্থতা, ভোটার তালিকা সংশোধন ও ধর্মীয় ইস্যু বিজেপির জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষতির বিনিময়ে হলেও এই উত্থানের পেছনে নীরবে বড় ভূমিকা নিয়েছে বাম ভোটারদের একাংশ। শুনতে অস্বাভাবিক লাগলেও এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে আছে ‘লালের’ ছাপ।
নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর গতকাল কালীঘাটে সংবাদ সম্মেলন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপি ২০৬টিতে হয় জয়ী ঘোষিত, নয়তো এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আসনসংখ্যা ৮১
নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনাপ্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং কেন্দ্রীয় পাবলিক সেক্টর সংস্থার (পিএসইউ) কর্মীদের নিয়োগ করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হুমায়ুন কবিরের আমজনতা উন্নয়ন পার্টি ও এআইএমআইএম-এর জোট ভেঙে যাওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি বড় উদ্বেগ কমেছে। এআইএমআইএম স্বতন্ত্র লড়াই ঘোষণা করেছে। তবে মুসলিম সমাজের অসন্তোষ এবং প্রতিনিধিত্বের ঘাটতি নিয়ে আলোচনা চলছে।
কোচবিহারে বিজেপির সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূল কংগ্রেসের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এবং ৪ মে পর ডাবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের গ্যারান্টি দেন। তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজ ও দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করার প্রতিশ্রুতি দেন। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদে বিজেপির বিসর্জনের কথা বলেন।
মুর্শিদাবাদে ভোটার তালিকা সংশোধনে নবাব মীর জাফরের প্রায় ৩০০ বংশধরের নাম বাদ পড়ায় রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর ফাহিম মির্জা এবং অন্যান্যরা প্রশাসনের প্রতি অভিযোগ করেছেন। বিজেপি এ অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দিকে দায় চাপিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকার সংশোধন শেষ হয়নি। ৬০ লাখের মধ্যে ২৩ লাখ ভোটারের শুনানি বাকি থাকায় রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষুব্ধ। তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ চলছে।