
চিত্রনায়িকা চম্পার যে আক্ষেপ আজও রয়ে গেছে
পদ্মা নদীর ধারে জেলের সংসার হোক কিংবা মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন—চম্পা পর্দায় এলেই দর্শকের মনে হতো, চরিত্রটা যেন সত্যিই তাঁর শরীর-মনে বাসা বেঁধে আছে।

পদ্মা নদীর ধারে জেলের সংসার হোক কিংবা মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন—চম্পা পর্দায় এলেই দর্শকের মনে হতো, চরিত্রটা যেন সত্যিই তাঁর শরীর-মনে বাসা বেঁধে আছে।

ভালোবেসে অনেকেই তাঁকে ‘জাপানের ওয়াল্ট ডিজনি’ বলেন। আজ ৫ জানুয়ারি, কিংবদন্তি অ্যানিমেটর হায়াও মিয়াজাকির জন্মদিন।

কেউ ভাবতে পারেনি, এই কোর্টের মাটি থেকেই একদিন পথ ঘুরে যাবে ক্যামেরার আলোয়; অ্যাথলেটের জায়গায় জন্ম নেবে বলিউড তারকা।

একে একে ১২ বার তিনি একাডেমি পুরস্কার অস্কারে মনোনয়ন পান। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, কখনোই তিনি এই পুরস্কার ঝুলিতে পুরতে পারেননি।

পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মানেই ভয়, ক্রোধ, নির্মমতা আর দাপুটে অভিনয়। অথচ ক্যামেরা বন্ধ হলেই তিনি অন্য মানুষ—শান্ত, ভদ্র, পরিবারকেন্দ্রিক, দারুণ বিনয়ী।

গান, দেশ, মানুষের প্রতি নিরন্তর ভালোবাসা আর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি—সব মিলেই তিনি এক অনন্য উচ্চতার সংগীতব্যক্তিত্ব।