বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট লড়াইয়ের ইতিহাস: কতটা মনে আছে?
২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়া গেছে বাংলাদেশ। সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট লড়াইয়ের ইতিহাস কতটা মনে আছে, এক নজরে দেখে নিন।
২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়া গেছে বাংলাদেশ। সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট লড়াইয়ের ইতিহাস কতটা মনে আছে, এক নজরে দেখে নিন।
২২ বছর পর ডারউইনে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ফিরেছে। দর্শক উপস্থিতি ও পিচের প্রশংসার পাশাপাশি নর্দার্ন টেরিটরির ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ আরও টেস্ট ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ম্যাচ বাড়ানোর আশাবাদ জানাচ্ছেন।
অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্টের আগে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন অ্যালেক্স ক্যারি। ডারউইনে ব্যাটিং পরিস্থিতি ও উইকেট হারানোর প্রভাব নিয়ে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।
ডারউইন টেস্টে তৃতীয় দিনে প্রথম ইনিংসেই ২২৮ রানে পিছিয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ২০০+ রানের লিডের পরিসংখ্যান ও সাবেক ক্রিকেটারদের বিশ্লেষণে বোঝা যাচ্ছে, এখান থেকে ম্যাচ বাঁচানো কতটা কঠিন হয়ে উঠেছে।
২০০৩ সালে সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার পর বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া টেস্ট হয়েছে আরও চারবার, যেগুলোর সবই হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে। কাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে দুই দলের সপ্তম টেস্ট লড়াই শুরু হতে যাচ্ছে—অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের তৃতীয় টেস্টও এটি।
২০১১ সালের পর এবারই প্রথম বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডে খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ১৫ বছর পর হতে যাওয়া এই সিরিজের সব ম্যাচই হবে মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে।
বিধ্বংসী বোলিংয়ে প্রথম সেশনেই বাংলাদেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন মিচেল স্টার্ক। আর দিনের শেষ সেশনে অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপালেন টেস্টে প্রথম ৫ উইকেট পাওয়া শরীফুল।
ডারউইন টেস্টে ভালো করতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে বাদ পড়েছেন স্কোয়াড থেকে।
বাংলাদেশের বিপদে মেহেদী হাসান মিরাজ বরাবরই বুক চিতিয়ে লড়েন। ডারউইন টেস্টেও এমন ভূমিকায় নেমে ম্যাচ জেতায় দারুণ অবদান মিরাজের।
অস্ট্রেলিয়া সফরে যাওয়া ইরানের নারী ফুটবল দলের পাঁচ খেলোয়াড় মঙ্গলবার সেখানে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। অস্ট্রেলিয়া সরকার সেই নারীদের আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
আগামী আগস্টে বাংলাদেশ দলের অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের সূচি ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড তুলেছিল ৪ উইকেটে ১৫০ রান। তাড়ায় ৩ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া ১৭ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।