
বড় আন্দোলনে নামার লক্ষ্য জামায়াতসহ ১১ দলের
বড় আন্দোলনে নামার লক্ষ্য জামায়াতসহ ১১ দলের

বড় আন্দোলনে নামার লক্ষ্য জামায়াতসহ ১১ দলের

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বড় কর্মসূচির দিকে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। গণমিছিল, সেমিনার ও লিফলেট বিলির পর বিভাগীয় শহরগুলোয় সমাবেশের পর রাজধানীতে মহাসমাবেশ করতে চাইছে তারা। এর উদ্দেশ্য ক্ষমতাসীনদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ানো।

২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপির প্রথম বৈঠকের দিন মধ্যাহ্নবিরতিতে একটি সূত্র জানাল, আলোচনা খুব একটা উষ্ণ হচ্ছে না।

এর আগে বেলা ১১টায় আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শুরু হয়।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত শেষে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ কথা বলেন।

প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে হালখাতা খুলে যেভাবে সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়, সেভাবে জাতীয় জীবনের সব বকেয়া পরিশোধ করতে বিএনপি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।

জুলাই সনদের আলোকে সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘সারা দেশে এখন আন্দোলন চলছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যে বিষয়ে সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছিল, তা ছিল সাংবিধানিক সংস্কার।

জুলাই বিপ্লব ও গণভোটের রায় রক্ষাসহ তিন দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশনে। এনসিপির নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী ও প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদসহ নেতাকর্মীরা সংহতি জানিয়েছেন। অনশনের ২৩ ঘণ্টা পার হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি গুরুত্বপূর্ণ চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ নিয়ে সুজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এটিকে তারা বিএনপির অঙ্গীকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মেনে নিয়েছে। সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা করেছে সংগঠন।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পাস না হলে অকার্যকর হয়ে যাবে। এতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও গুমের বিচার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। সরকার নতুন বিলের প্রতিশ্রুতি দিলেও আস্থা ফিরবে না।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মৌলিক সংস্কার উপেক্ষা সব দলের জন্য আত্মঘাতী। দুদকসহ অন্যান্য অধ্যাদেশ যাচাই করে অবিলম্বে আইনে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন।