মার্কিন ঘাঁটির নিরাপত্তা চাদর ফালাফালা, বাদশাহ-আমিরদের কী হবে
আরবের শাসকেরা কি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার আশায় বসে থাকবেন, নাকি পরিবর্তিত নতুন বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন?
আরবের শাসকেরা কি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার আশায় বসে থাকবেন, নাকি পরিবর্তিত নতুন বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন?
এর আগে ওই অঞ্চলে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর সুরক্ষায় মিত্র দেশগুলোর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যায়সঙ্গত শর্ত দিয়েছে বলে দাবি করে তেহরান। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনা ভেস্তে দেওয়া বোকামি হবে বলে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন। ইরান হরমুজ প্রণালী খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং শনিবার আলোচনা শুরুর কথা। লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনরা হতাশ এবং নেতিবাচক। চারজনের মধ্যে তিনজনের বেশি স্থল সেনা পাঠানোর বিরোধী। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ইসরায়েলের অনেকের কাছেই এখন একটা বিষয় অনিবার্য বলে মনে হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের দেশের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা আসার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে তাদের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে।
ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মেটাতে’ ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নেওয়ার পর ব্যবসায়ীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোয় ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইরানে চলা যুদ্ধকে ইসরায়েল আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও পরাজয়ের মুখোমুখি করেছে। বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধবিরোধী হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক নেতারা ইসরায়েল থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।