যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহারের জন্য ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। গতকাল শনিবার সাক্ষাৎকারের এই অংশটি প্রচারিত হয়।
সিএনএনের ফরিদ জাকারিয়াকে জেলেনস্কি বলেন, এটি ‘শতভাগ সত্য’ যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ইরান রাশিয়ার তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করেছে। এ
অঞ্চলের অন্যান্য দেশে চালানো হামলার সঙ্গেও শাহেদ ড্রোনের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। তবে এসব ড্রোনের প্রস্তুতকারক কারা, তা সবসময় স্পষ্ট নয়।
মূলত ইরানই প্রথম এ শাহেদ ড্রোন তৈরি করে, যা ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।
ইউক্রেনের দাবি, ২০২২ সালের শরৎকাল থেকে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণে এই ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। তখন থেকে রুশ বাহিনী হাজার হাজার শাহেদ ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে।
শুরুতে ইরান এসব ড্রোন সরবরাহ করলেও এখন রাশিয়া নিজেই শাহেদ ড্রোন তৈরি করছে। ইতিমধ্যে, মার্কিন সেনাবাহিনীসহ অন্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীও শাহেদ ঘরানার ড্রোন গ্রহণ করেছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে এই ড্রোনগুলো ব্যবহার করা তাদের পরিকল্পনার অংশ।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
.বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আধিপত্য কমাতে সেখানে মাইন শনাক্তকারী ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে ব্রিটেন।
এর আগে ওই অঞ্চলে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর সুরক্ষায় মিত্র দেশগুলোর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘নানা ধরনের বিকল্প’ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
প্রথমবারের মতো ওই প্রস্তাবের খবর সামনে এনেছে দ্য সানডে টাইমস। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ‘মাইন অ্যান্ড থ্রেট এক্সপ্লোয়িটেশন গ্রুপ’ থেকে এসব ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে; যারা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।
তবে বর্তমানে ঠিক কতগুলো ড্রোন কার্যকর রয়েছে এবং এর মধ্যে কতটি মোতায়েন করা সম্ভব, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।
এদিকে দ্য সানডে টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা ব্রিটিশ ইন্টারসেপ্টর ড্রোনগুলো ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন প্রতিহত করতেও ব্যবহার করা হতে পারে।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
.আগের লাইভ দেখতে ক্লিক করুন:






