ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক শ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব দূতাবাস ও কূটনৈতিক দপ্তরকে অবিলম্বে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)।
ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে দুঃসাহসিক অভিযানে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ক্রু সুস্থ আছেন এবং অভিযানে ‘কয়েক ডজন’ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হননি।
ইরানে গত শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে একজন ক্রু পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে এক দিনের বেশি সময় টিকে ছিলেন। মার্কিন কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন, যাতে সিআইএ এবং ইসরায়েল সহযোগিতা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যোদ্ধাকে সাহসী বলে সম্মান জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক বাতিলের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
পেন্টাগনের দাবি, আহত সেনাদের বড় অংশই সামান্য মস্তিষ্কের আঘাতে ভুগেছেন এবং ৯৬ শতাংশই দায়িত্বে ফিরেছেন।
সেন্টকমের দাবি, সি-ড্রোন হামলার ফলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরানের অনবরত হামলা চালানোর সক্ষমতা ভেঙে পড়েছে।
সিএনএন যাচাই করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের বেশ কয়েকটি মিথ্যা দাবি। ওসামা বিন লাদেন, ইরান যুদ্ধের বিমানহানি, যুদ্ধ থামানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে তথ্য অতিরঞ্জিত বা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে আলোচনার পটভূমিতে ইতিবাচক বার্তার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী করিম ঘারিবাবাদি। একই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অস্ত্রের মজুত–সংক্রান্ত সমস্যার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।