মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার কিশোরীরা এখন স্বাস্থ্য সচেতন
কুড়িগ্রাম জেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালা অবস্থিত। প্রত্যন্ত চরাঞ্চল হওয়ায় এখানকার মানুষ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা
কুড়িগ্রাম জেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালা অবস্থিত। প্রত্যন্ত চরাঞ্চল হওয়ায় এখানকার মানুষ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত ‘মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালা’ পরিদর্শন করেছেন। গত ৩১ মে তিনি পা
সব ধরনের প্রতিকূল পরিবেশ আর সীমিত সুযোগ-সুবিধাকে জয় করে নিজের স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মো. মানিক মিয়া। মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালা থেকে উঠে আসা এই তরুণ নিজের মেধা ও পরিশ্রমের জোরে ভবিষ্যতে একজন আইনজীবী হিসেবে সমাজে অবদান রাখতে চান।
কমিউনিটি হেলথ নার্সিংয়ের প্র্যাকটিক্যাল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উৎসর্গ নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তাঁরা পাঠশালার
ভোলা জেলার দৌলতখানের মদনপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র পরিবারের ছেলে ইমরান হোসেন মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের সাহায্যে পড়াশোনায় ফিরে এসেছেন। পরিবারের চাপে ২০২২ সালে পড়াশোনা ছেড়ে ঢাকায় যান, কিন্তু ২০২৪ সালে নানা-মামার সহায়তায় মদনপুর আলোর পাঠশালায় দশম শ্রেণিতে নিয়মিত ছাত্র হয়েছেন।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের ৩৩তম বোর্ড সভা ১২ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত হয়। গত কর্মকাণ্ডের প্রতিবেদন, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান রূপালী চৌধুরী।
মুক্তকণ্ঠ ও দ্য ডেইলি স্টারের ওপর সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলা ছিল ধারণার চেয়েও ভয়ংকর ও বীভৎস।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের উদ্যোগে ঘনিচা, বামনীকোনা, খলা, মনিয়ারকোনা, পাগলা ও রানীগাঁও গ্রামের অন্তত ২০০ জন অসহায়, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের পাঁচটি ধারা বাতিল করে হাইকোর্ট রায় দিয়েছিলেন।
দ্য ডিসেন্টের লেখাটি তীক্ষ্ণ, রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় এবং কিছু ক্ষেত্রে সংবাদ শিরোনামের ভাষা নিয়ে জরুরি অস্বস্তি তৈরি করে। কিন্তু ফ্রেমিং বিশ্লেষণ হিসেবে এটি দুর্বল।
সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ও সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এ সম্মিলনের আয়োজন করেছে।
সব সরকারের আমলেই পত্রিকাটি থাকে সরকারের অপছন্দের তালিকায়, মুক্তকণ্ঠ সরকারি বিজ্ঞাপন পায় না, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রবেশ বঞ্চিত থাকে। কারণ, মুক্তকণ্ঠ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে।