
আয় বাড়াতে আরইবির ওপর দায় চাপাতে চাইছে পিডিবি, চাপে পড়বে গ্রামের বিদ্যুৎ
পিডিবির নতুন প্রস্তাবে আরইবির লাভজনক সমিতিগুলো চাপে পড়বে, ঝুঁকিতে পড়বে গ্রামীণ বিদ্যুতের বর্তমান ভারসাম্য।

পিডিবির নতুন প্রস্তাবে আরইবির লাভজনক সমিতিগুলো চাপে পড়বে, ঝুঁকিতে পড়বে গ্রামীণ বিদ্যুতের বর্তমান ভারসাম্য।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য নতুন কৌশল নিয়েছে। আবাসিক গ্রাহকদের বিলের ধাপ বদলে আয় বাড়ানোর পাশাপাশি বছরে দুবার দাম সমন্বয় চায় সংস্থাটি। এতে কম দামে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

আবাসিকে স্লাব (ধাপ) পরিবর্তন করে গ্রাহকদের কাছ থেকে ২ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা বাড়তি তুলতে চায় পিডিবি।

আজ বুধবার বেলা ১১টায় পিডিবিএফের বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত এমডি মাহমুদ হাসানকে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে তথ্য-উপাত্ত, কাগজপত্র ও লিখিত বক্তব্য নিয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী নিলুফারিন আকতার বলেন, সম্প্রতি ‘কাজ নেই মজুরি নেই’ ভিত্তিতে একজন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু সিবিএর নেতারা এর প্রতিবাদ করেন।

গতকাল বুধবার পাইকারি ও খুচরা—দুই পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এতে বাড়তি দামের চাপ পড়বে সব শ্রেণির গ্রাহকের ওপর; বাদ যাননি গ্রামের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা।

পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভোক্তা প্রতিনিধিরা বলেছেন, এটি মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াবে।

ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৮ দশমিক ৮৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১১৩ দশমিক ৫৪ টাকা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বাড়বে।

পিডিবির নতুন প্রস্তাবে বিদ্যুতের স্ল্যাব কাঠামো পরিবর্তন করে দাম বাড়ানো হচ্ছে, যা সীমিত আয়ের পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ ফেলবে। এতে রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্দেশ্য স্পষ্ট হলেও খাতের মূল সমস্যা সমাধান ছাড়া এটি অন্যায়। সরকারের অভ্যন্তরীণ সংস্কার ছাড়া মূল্যস্ফীতি তীব্র হবে।

এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার

গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব আমলে নিয়েছে বিইআরসি। পাইকারির সঙ্গে সমন্বয় করে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোরও প্রস্তাব করেছে পিডিবি।

আদানির বন্ধ ইউনিট আবার চালুর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পায়, লোডশেডিং কমতে শুরু করে।